দীর্ঘ ৩৫ বছর পর প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের মধ্য দিয়ে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বাংলাদেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত।

রাষ্ট্রপতি বদলই যথেষ্ট নয়, রাষ্ট্রচিন্তারও পরিবর্তন দরকার

বাংলাদেশের রাজনীতিতে রাষ্ট্রপতি পরিবর্তন নতুন কোনো ঘটনা নয়। কিন্তু সব পরিবর্তনের অর্থ এক নয়। কোনো কোনো পরিবর্তন কেবল একটি পদে নতুন ব্যক্তির আগমন; আবার কোনো কোনো পরিবর্তন সামনে নিয়ে আসে রাষ্ট্রের চরিত্র, রাজনৈতিক সংস্কৃতি এবং ভবিষ্যৎ পথচলা নিয়ে নতুন করে ভাবার সুযোগ।

বাংলাদেশ আজ নতুন রাষ্ট্রপতি পেয়েছে। মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর দেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হয়েছেন—একটি পরিবর্তিত রাজনৈতিক বাস্তবতায়, জুলাই-পরবর্তী বাংলাদেশের নতুন প্রত্যাশার সময়ে। দীর্ঘ ৩৫ বছর পর প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের মধ্য দিয়ে তাঁর এই নির্বাচন বাংলাদেশের রাজনীতির একটি নতুন মুহূর্তকে সামনে এনেছে। কিন্তু এই ঘটনাকে যদি আমরা কেবল একজনের বিদায় এবং আরেকজনের আগমনের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখি, তাহলে সম্ভবত সময়ের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নটিই এড়িয়ে যাব। প্রশ্নটি হলো—রাষ্ট্রপতি বদলাচ্ছে, সেই সঙ্গে রাষ্ট্রচিন্তাও কি বদলাচ্ছে?

বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে সরকার বদলেছে, ক্ষমতার পালাবদল হয়েছে, রাষ্ট্রপতিরাও এসেছেন-গেছেন। কিন্তু আমাদের রাষ্ট্র পরিচালনার মৌলিক কাঠামো এবং ক্ষমতার কেন্দ্রীভবনের সংস্কৃতি নিয়ে প্রশ্ন বারবার থেকেই গেছে। বিশেষ করে বাংলাদেশের সংসদীয় ব্যবস্থায় প্রধানমন্ত্রী পদে যে বিপুল নির্বাহী ক্ষমতা কেন্দ্রীভূত, সেটি দীর্ঘদিন ধরেই রাজনৈতিক ও সাংবিধানিক বিতর্কের বিষয়।

বর্তমান সাংবিধানিক কাঠামোয় রাষ্ট্রপতি রাষ্ট্রের প্রধান হলেও নির্বাহী ক্ষমতার মূল কেন্দ্র প্রধানমন্ত্রী। সংবিধানের ৫৫(২) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী প্রজাতন্ত্রের নির্বাহী ক্ষমতা প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক বা তাঁর কর্তৃত্বে প্রয়োগ করা হয়। অন্যদিকে ৪৮(৩) অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, প্রধানমন্ত্রী নিয়োগ এবং প্রধান বিচারপতি নিয়োগসংক্রান্ত নির্দিষ্ট ক্ষেত্র ছাড়া রাষ্ট্রপতি তাঁর কার্যাবলি প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ অনুযায়ী সম্পাদন করবেন। অর্থাৎ সাংবিধানিক বাস্তবতায় রাষ্ট্রপতি রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ পদে অধিষ্ঠিত হলেও অধিকাংশ ক্ষেত্রে স্বাধীন নির্বাহী সিদ্ধান্ত নেওয়ার সুযোগ সীমিত।

এখানেই বাংলাদেশের রাষ্ট্রচিন্তার একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন সামনে আসে। রাষ্ট্রপতির পদ কি কেবল রাষ্ট্রীয় আনুষ্ঠানিকতার প্রতীক হয়ে থাকবে, নাকি এই পদকে এমনভাবে পুনর্বিবেচনা করা প্রয়োজন, যাতে রাষ্ট্রের ভেতরে একটি কার্যকর ভারসাম্য ও জবাবদিহির কাঠামো তৈরি হয়?

এই প্রশ্নের অর্থ অবশ্যই রাষ্ট্রপতিকে প্রধানমন্ত্রীর বিকল্প ক্ষমতার কেন্দ্র বানানো নয়। বাংলাদেশের অভিজ্ঞতা এবং রাজনৈতিক বাস্তবতায় দুটি সমান্তরাল নির্বাহী ক্ষমতার কেন্দ্র তৈরি করা বরং নতুন সংঘাতের জন্ম দিতে পারে। প্রয়োজন ক্ষমতার দ্বন্দ্ব নয়, ক্ষমতার ভারসাম্য। এমন একটি ব্যবস্থা, যেখানে প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত সরকারের নেতৃত্ব দেবেন এবং নির্বাহী সিদ্ধান্ত গ্রহণের কেন্দ্র হিসেবে থাকবেন; কিন্তু একই সঙ্গে রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান, সাংবিধানিক নিয়োগ এবং জাতীয় স্বার্থসংশ্লিষ্ট কিছু প্রশ্নে একক ব্যক্তির বা একক সরকারের ওপর অতিরিক্ত নির্ভরশীলতা থাকবে না।

জুলাই-পরবর্তী বাংলাদেশের রাষ্ট্র সংস্কার নিয়ে যে আলোচনা তৈরি হয়েছে, সেখানে এই ক্ষমতার ভারসাম্যের প্রশ্নটি বিশেষভাবে সামনে এসেছে। জুলাই জাতীয় সনদে প্রধানমন্ত্রীর মেয়াদ সীমিত করা, রাষ্ট্রপতির ক্ষমতা বৃদ্ধি, বিচার বিভাগের স্বাধীনতা এবং রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে কার্যকর ভারসাম্য প্রতিষ্ঠার মতো বিষয় সংস্কারের আলোচনায় স্থান পেয়েছে। রাষ্ট্র সংস্কারের এই বিতর্কের মূল লক্ষ্য ছিল ক্ষমতাকে এক জায়গায় কেন্দ্রীভূত হওয়ার ঝুঁকি কমানো এবং রাষ্ট্রের বিভিন্ন অঙ্গের মধ্যে কার্যকর ‘চেক অ্যান্ড ব্যালান্স’ তৈরি করা।

এ বিষয়টিকে জুলাইয়ের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক শিক্ষা হিসেবেও দেখা যেতে পারে। একটি রাষ্ট্র তখনই দুর্বল হয়ে পড়ে, যখন তার সব প্রতিষ্ঠান কার্যত একটি ক্ষমতার কেন্দ্রের দিকে তাকিয়ে থাকে। সংসদ যদি নির্বাহী বিভাগের ওপর কার্যকর নজরদারি করতে না পারে, সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানগুলো যদি স্বাধীনভাবে কাজ করতে না পারে, বিচারব্যবস্থা যদি প্রয়োজনীয় স্বাধীনতা হারায় এবং রাষ্ট্রপতির পদ যদি পুরোপুরি আনুষ্ঠানিকতায় সীমাবদ্ধ হয়ে যায়, তাহলে কাগজে-কলমে গণতান্ত্রিক কাঠামো থাকলেও বাস্তবে ক্ষমতার ভারসাম্য নষ্ট হওয়ার ঝুঁকি তৈরি হয়।

তাই রাষ্ট্রপতির ক্ষমতা বাড়ানোর আলোচনা আসলে কোনো ব্যক্তিকে শক্তিশালী করার আলোচনা হওয়া উচিত নয়। এটি হওয়া উচিত রাষ্ট্রকে শক্তিশালী করার আলোচনা।

এখানে একটি মৌলিক পার্থক্য রয়েছে। শক্তিশালী রাষ্ট্রপতি মানেই ক্ষমতাবান রাষ্ট্রপতি নয়; যেমন শক্তিশালী প্রধানমন্ত্রী মানেই সর্বময় ক্ষমতার অধিকারী প্রধানমন্ত্রী নয়। একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে শক্তি আসে ক্ষমতার সীমারেখা থেকে, জবাবদিহি থেকে এবং প্রতিষ্ঠানগুলোর পারস্পরিক ভারসাম্য থেকে।

নতুন রাষ্ট্রপতির দায়িত্বের প্রশ্নটি তাই এখানেই গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে। মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর রাষ্ট্রপতি হিসেবে এমন একটি সময়ে দায়িত্ব গ্রহণ করছেন, যখন রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর ক্ষমতার ভারসাম্য নিয়ে নতুন করে আলোচনা চলছে। জুলাই-পরবর্তী সংস্কার প্রস্তাবগুলোতে রাষ্ট্রপতির ভূমিকা পুনর্নির্ধারণ এবং প্রধানমন্ত্রীর ক্ষমতার ওপর কিছু প্রাতিষ্ঠানিক ভারসাম্য তৈরির ধারণা সামনে এসেছে। তবে এই পরিবর্তনের প্রকৃতি কী হবে, কোন ক্ষমতা রাষ্ট্রপতির হাতে যাবে এবং সেই ক্ষমতার ওপর জবাবদিহির ব্যবস্থা কীভাবে নিশ্চিত করা হবে—এসব প্রশ্নের উত্তর নির্ভর করবে সাংবিধানিক সংস্কারের চূড়ান্ত রূপের ওপর।

বর্তমান সংবিধানেও রাষ্ট্রপতির ভূমিকা একেবারে গুরুত্বহীন নয়। রাষ্ট্রপতি প্রধানমন্ত্রী নিয়োগ করেন সেই সংসদ সদস্যকে, যিনি সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যের সমর্থন পেয়েছেন বলে তাঁর কাছে প্রতীয়মান হন। প্রধান বিচারপতি নিয়োগের ক্ষেত্রেও রাষ্ট্রপতির সাংবিধানিক ভূমিকা রয়েছে। তিনি রাষ্ট্রের প্রধান এবং সশস্ত্র বাহিনীর সর্বাধিনায়ক। দণ্ড মওকুফ, স্থগিত বা লঘু করার ক্ষমতাও রাষ্ট্রপতির রয়েছে। প্রধানমন্ত্রীকে অভ্যন্তরীণ ও বৈদেশিক নীতির বিষয়ে রাষ্ট্রপতিকে অবহিত রাখতে হয় এবং রাষ্ট্রপতি চাইলে কোনো বিষয় মন্ত্রিসভার বিবেচনার জন্য পাঠানোর অনুরোধও করতে পারেন।

কিন্তু বাস্তব প্রশ্ন হলো, এই সাংবিধানিক পদটি কীভাবে আরও অর্থবহ করা যায়।

একটি সম্ভাব্য রাষ্ট্রচিন্তা হতে পারে এমন—রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর মধ্যে ক্ষমতার প্রতিযোগিতা নয়, বরং দায়িত্বের স্পষ্ট বিভাজন থাকবে। প্রধানমন্ত্রী পরিচালনা করবেন নির্বাচিত সরকারের দৈনন্দিন নির্বাহী কার্যক্রম। রাষ্ট্রপতি থাকবেন সাংবিধানিক স্থিতি, রাষ্ট্রীয় ধারাবাহিকতা এবং নির্দিষ্ট সাংবিধানিক দায়িত্বের একটি স্বাধীন ও নিরপেক্ষ কেন্দ্র হিসেবে। রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানগুলোতে নিয়োগের ক্ষেত্রে একক ব্যক্তির ইচ্ছার পরিবর্তে বহুপক্ষীয় ও স্বচ্ছ প্রক্রিয়া গড়ে তোলা যেতে পারে। সংবিধান সংস্কার কমিশনের প্রস্তাবেও রাষ্ট্রের বিভিন্ন অঙ্গের মধ্যে জবাবদিহি ও ভারসাম্য নিশ্চিত করতে একটি জাতীয় সাংবিধানিক কাউন্সিলের ধারণা উত্থাপিত হয়েছিল।

এখানে রাষ্ট্রপতির ভূমিকা হতে পারে কোনো দলের রাজনৈতিক প্রতিনিধি হিসেবে নয়, বরং সাংবিধানিক ভারসাম্যের অংশ হিসেবে। তবে রাষ্ট্রপতির হাতে ক্ষমতা বাড়ানোর আগে আরও গুরুত্বপূর্ণ হলো—সেই ক্ষমতা প্রয়োগের নিয়ম, স্বচ্ছতা এবং জবাবদিহি নিশ্চিত করা। কারণ আমাদের ইতিহাস বলে, ক্ষমতা শুধু এক জায়গায় কেন্দ্রীভূত হলে সমস্যা হয় না; অজবাবদিহিমূলক ক্ষমতা যেখানেই কেন্দ্রীভূত হোক, সেখানেই গণতন্ত্রের জন্য ঝুঁকি তৈরি হয়।

জুলাইয়ের আকাঙ্ক্ষার মূল জায়গাটিও সম্ভবত এখানেই—ক্ষমতার মালিকানা বদল নয়, ক্ষমতার চরিত্র বদল।

বাংলাদেশের তরুণ প্রজন্ম যে রাষ্ট্রের স্বপ্ন দেখেছে, সেখানে একজন শক্তিশালী নেতা নয়, শক্তিশালী প্রতিষ্ঠান গুরুত্বপূর্ণ। সেখানে কোনো প্রধানমন্ত্রী এতটা ক্ষমতাবান হবেন না যে রাষ্ট্রের অন্য প্রতিষ্ঠানগুলো কার্যত তাঁর অধীনস্থ হয়ে পড়বে। আবার রাষ্ট্রপতিকেও এমন ক্ষমতা দেওয়া হবে না, যাতে তিনি নির্বাচিত সরকারের বিকল্প রাজনৈতিক কেন্দ্র হয়ে উঠতে পারেন। সংসদ, সরকার, রাষ্ট্রপতি, বিচার বিভাগ এবং সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান—প্রত্যেকটি নিজেদের নির্ধারিত সীমার মধ্যে থেকে অন্যের ওপর প্রয়োজনীয় সাংবিধানিক ভারসাম্য বজায় রাখবে।

এই ভারসাম্য প্রতিষ্ঠার জন্য কেবল সংবিধানের কয়েকটি অনুচ্ছেদ পরিবর্তন যথেষ্ট হবে না। রাজনৈতিক সংস্কৃতিরও পরিবর্তন দরকার। কারণ কোনো সংবিধানই স্বয়ংক্রিয়ভাবে গণতন্ত্র নিশ্চিত করে না; সংবিধানকে কার্যকর করে রাজনৈতিক আচরণ, প্রতিষ্ঠান এবং নাগরিকের সচেতনতা।

আজ মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ার পর তাই তাঁর ব্যক্তিগত ভূমিকার বাইরেও একটি বড় আলোচনার সুযোগ তৈরি হয়েছে। রাষ্ট্রপতির পদকে আমরা কেমন দেখতে চাই? এটি কি কেবল সরকারের আনুষ্ঠানিক অনুমোদনের কেন্দ্র হবে, নাকি সাংবিধানিক ভারসাম্য ও রাষ্ট্রীয় আস্থার একটি কার্যকর প্রতিষ্ঠান হয়ে উঠবে?

এই প্রশ্নের উত্তর নতুন রাষ্ট্রপতি একা দিতে পারবেন না। এর উত্তর দিতে হবে সংসদকে, রাজনৈতিক দলগুলোকে, সংবিধান সংস্কার প্রক্রিয়াকে এবং সর্বোপরি জনগণকে। কারণ রাষ্ট্রপতির ক্ষমতা বাড়ানো বা প্রধানমন্ত্রীর ক্ষমতা সীমিত করা কোনো ব্যক্তিবিশেষের সুবিধা বা অসুবিধার প্রশ্ন হওয়া উচিত নয়। এটি ভবিষ্যতের বাংলাদেশকে কেমন রাষ্ট্র হিসেবে গড়ে তুলতে চাই, সেই প্রশ্ন।

জুলাই আমাদের সামনে যে সম্ভাবনা তৈরি করেছিল, তার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশ ছিল রাষ্ট্রকে নতুনভাবে কল্পনা করার সুযোগ। সেই সুযোগকে যদি আমরা শুধু ব্যক্তি পরিবর্তনের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখি, তাহলে পরিবর্তনের মূল আকাঙ্ক্ষা অপূর্ণই থেকে যাবে।

আজ তাই নতুন রাষ্ট্রপতির নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সবচেয়ে জরুরি কথাটি আবার বলা দরকার—রাষ্ট্রপতি বদল নয়, রাষ্ট্রচিন্তারও পরিবর্তন দরকার।

প্রধানমন্ত্রী থাকবেন জনগণের নির্বাচিত সরকারের কার্যকর নেতা; রাষ্ট্রপতি থাকবেন সাংবিধানিক মর্যাদা, ধারাবাহিকতা ও নির্দিষ্ট ভারসাম্যের রক্ষক; সংসদ হবে কার্যকর জবাবদিহির জায়গা; বিচার বিভাগ হবে স্বাধীন; আর রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলো কোনো ব্যক্তি বা দলের অনুগত নয়, সংবিধান ও জনগণের প্রতি দায়বদ্ধ থাকবে।

নতুন বাংলাদেশের প্রকৃত পরিবর্তন সেখানেই। একজন রাষ্ট্রপতি বদলালে রাষ্ট্রের চেহারা বদলাতে পারে; কিন্তু রাষ্ট্রচিন্তা বদলালে বদলাতে পারে রাষ্ট্রের ভবিষ্যৎ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *