শামসুর রাহমান : নিঃসঙ্গ শেরপা

share on:
শামসুর রাহমান বাংলাদেশ ও ত্রিশোত্তর আধুনিক বাংলা সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ কবি। নাগরিক কবি। জনতার কবি। স্বাধীনতার কবি।

শামসুর রাহমান বাংলাদেশ ও ত্রিশোত্তর আধুনিক বাংলা সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ কবি। নাগরিক কবি। জনতার কবি। স্বাধীনতার কবি। দেশের ও দেশের মানুষের বিরুদ্ধে যেকোনো অশুভ-অপশক্তির পথে দূর্বার প্রতিরোধের কবি শামসুর রাহমান।

সংস্কৃতিবানেরা ফেসবুকে সংস্কৃতি ডটকমের পেইজে লাইক দিন এখানে ক্লিক করে।

নগরকেন্দ্রিক যান্ত্রিক সভ্যতা আধুনিক বাংলা কবিতার আশ্রয়। শহুরে যান্ত্রিক সভ্যতার অভিঘাত, ক্লান্তি, নৈরাশ্য, আত্মবিরোধ, অনিকেত মনোভাব ইত্যাদি তিলক পরিধান করে তিরিশোত্তর আধুনিক কবিতা তার রংরিক্ত শোভাযাত্রা শুরু করে। পঞ্চ আধুনিক – বুদ্ধদেব বসু, জীবনানন্দ দাশ, সুধীন্দ্রনাথ দত্ত, বিষ্ণু দে ও অমিয় চক্রবর্তীর কবিতা নগরকেন্দ্রিক সভ্যতাকে ধারণ করলেও তাঁরা কেউই বাংলা সাহিত্যে নাগরিক কবি হিসেবে বিশেষভাবে চিহ্নিত হননি। শামসুর রাহমান আধুনিক কবিদের উত্তরসূরি।

আক্ষরিক অর্থে তিনি বাংলা সাহিত্যের নাগরিক-কবি। সত্যিকার অর্থে শামসুর রাহমানের কবিতায় নগরকেন্দ্রিক সমকালের বিবর্ণ প্রতিবেশ পৃথিবীর চৌচির মুখচ্ছবি অঙ্কিত। স্বপ্নসৌন্দর্যময় মনোবিশ্ব থেকে তিনি স্খলিত পদপাতে উঠে এসেছেন প্রতিবেশ-পৃথিবীতে। সেই প্রতিবেশ-পৃথিবী স্পষ্ট নগর। নগরটি মানচিত্রসহ নির্দেশ করা সম্ভব; যার নাম ঢাকা। বিশ্বের পটভূমিকায় বাংলাদেশে নগর তথা যথার্থ নগর ঢাকাই। এই ঢাকার অধিবাসী শামসুর রাহমান বাংলাকাব্যে নাগরিকতার ধারক।

শামসুর রাহমান বাংলা কাব্যে সর্বসময় নাগরিকতার ধারক। তাঁর প্রথম কাব্যগ্রন্থ প্রথম গান দ্বিতীয় মৃত্যুর আগে (১৯৫৯)। এখানে তাঁর মনোবিশ্বের চূড়ায় উড্ডীন পতাকার মূলে রয়েছে ঢাকার বস্তি-গ্রাম-নগরের মিশ্র জনপদ। নাগরিক জীবনের ক্লান্তি, ব্যর্থতা, শোভাহীনতা, নৈঃসঙ্গ্য শামসুর রাহমান সেলাই করে দিয়েছেন তাঁর প্রথম কাব্যগ্রন্থের অনেক স্তবকে। ‘কোনো পরিচিতাকে’, ‘তিনশো টাকার আমি’, ‘আত্মজীবনীর খসড়া’, ‘যুদ্ধ’ প্রভৃতি প্রতিবেশ-নিয়ন্ত্রিত কবিতায় – এমনকি ‘রূপালি’ স্বপ্নের মতো স্বপ্নঝরা কবিতায়ও।

শহুরে মানুষের জীবনের ক্লান্তি, নৈরাশ্যবোধ ও অনিকেত মনোভাবের বাঙ্ময় প্রকাশ পাঠককে নিঃসন্দেহে আকৃষ্ট করে। তিনি তা পেয়েছেন উত্তরাধিকারসূত্রে তিরিশের কবিদের কাছে। তবে তাঁর কবিতায় নাগরিকতার এ-অবস্থান তিরিশি কবিদের চেয়ে স্বতন্ত্র ও পূর্ণাবয়ব। দুই ভিন্ন মনন স্রোত তথা রোমান্টিকতা ও ক্ল্যাসিকতা দ্বন্দ্ব সৃষ্টি করেনি শামসুর রাহমানের মানসপটে। এ-কারণে প্রথমাবধি তিনি নিসর্গ সচেতন ও নগর স্পন্দিত; উচ্ছল জীবন মদিরাকাক্সক্ষী ও নির্বিন্ন হতাশ; উদ্দীপিত ও ভীত; চন্দ্রলোক পিপাসু ও খটখটে রৌদ্রঝলসিত পথের পথিক।

পঞ্চাশ দশক থেকে বাঙালি জাতির নানা সংগ্রাম, মুক্তিযুদ্ধ, সামাজিক জীবনের অসঙ্গতি, ব্রিটিশ ও পশ্চিমাদের শোষণের বিরুদ্ধে তার সোচ্চার কণ্ঠ কবিতায় নির্মাণ করে এক অনন্য বাক-প্রতিমা। এ জন্য তাকে স্বাধীনতার কবি হিসেবেও আখ্যায়িত করা হয়। অসাম্প্রদায়িক চেতনা ও জনমানুষের প্রতি অপরিসীম দরদ তার চেতনায় প্রবাহিত ছিল। শামসুর রাহমানকে নাগরিক কবি বলা হলেও গণমানুষের সঙ্গে আধুনিক বাংলা কবিতার যেটুকু আত্মীয়তা, যেটুকু যোগাযোগ, তা তারই অবদান। তার কবিতার মূল সুরটিই হলো দেশপ্রেম। এছাড়া তার কবিতায় মৌলবাদ, ধর্মান্ধতা, প্রেম, দ্রোহ, বিশ্বজনীনতাও উঠে এসেছে এক সুনির্মল শিল্পবয়ানে।

বিংশ শতকের তিরিশের দশকের পাঁচ মহান কবির পর তিনিই আধুনিক বাংলা কবিতার প্রধান পুরুষ হিসেবে প্রসিদ্ধ। কেবল বাংলাদেশের কবি আল মাহমুদ এবং পশ্চিমবঙ্গের কবি শক্তি চট্টোপাধ্যায় বিংশ শতকের শেষার্ধে তুলনীয় কাব্যপ্রতিভার স্বাক্ষর রেখেছেন বলে ধারণা করা হয়।

কবি শামসুর রাহমান সম্পর্কে কবি আল মাহমুদ বলেন, ‘শামসুর রাহমান গদ্যও লিখেছেন। তবে তা অপেক্ষাকৃত কম। পয়ার ছন্দ, যাকে আমরা অক্ষরবৃত্ত বলি, এটা শামসুর রাহমানের হাতে স্ফুর্তি পেয়েছে। এত সহজ ও স্বাভাবিকতায় তার পয়ার বা অক্ষরবৃত্ত প্রবাহিত হয়েছে যে, আমি বিস্ময়ে হতবাক হয়েছি। কারণ আমারও তো অধিকাংশ কবিতা অক্ষরবৃত্তেই রচিত। তার কবিতা আমি সব সময় আমার পাশে হাত বাড়ালেই পেয়েছি, পড়েছি এবং তার প্রতি আমার গভীর প্রীতিপূর্ণ মনোভাব সৃষ্টি হয়েছে। তার মতো কবির প্রতি শ্রদ্ধাভাব আমার প্রথমাবধি ছিল। শামসুর রাহমান অসাধারণ দক্ষতায় তার নিপুণ কাব্য সম্ভার সাজিয়ে তুলেছেন।’

আধুনিক কবিতার সাথে তাঁর পরিচয় ও আন্তর্জাতিক-আধুনিক চেতনার উন্মেষ ঘটে ১৯৪৯-এ, এবং তার প্রথম প্রকাশিত কবিতা ১৯৪৯ মুদ্রিত হয় সাপ্তাহিক সোনার বাংলা পত্রিকায়। শামসুর রাহমান বিভিন্ন পত্রিকায় সম্পাদকীয় ও উপসম্পাদকীয় লিখতে গিয়ে নানা ছন্দনাম নিয়েছেন তিনি যেগুলো হচ্ছে: সিন্দবাদ, চক্ষুষ্মান, লিপিকার, নেপথ্যে, জনান্তিকে, মৈনাক। পাকিস্তান সরকারের আমলে কলকাতার একটি সাহিত্য পত্রিকায় মজলুম আদিব (বিপন্ন লেখক) নামে কবিতা ছাপা হয় যা দিয়েছিলেন বাংলা সাহিত্যের বিশিষ্ট সমালোচক আবু সায়ীদ আইয়ুব।

শামসুর রাহমান স্বৈরশাসক আইয়ুব খানকে বিদ্রুপ করে ১৯৫৮ সালে সিকান্দার আবু জাফর সম্পাদিত সমকাল (পত্রিকা) পত্রিকায় লেখেন ‘হাতির শুঁড়’ নামক কবিতা। বাংলাদেশের অবিসংবাদিত নেতা শেখ মুজিবুর রহমান যখন কারাগারে তখন তাঁকে উদ্দেশ্য করে লেখেন অসাধারণ কবিতা ‘টেলেমেকাস’ (১৯৬৬ বা ১৯৬৭ সালে)। ১৯৬৭ সালের ২২ জুন পাকিস্তানের তৎকালীন তথ্যমন্ত্রী রেডিও পাকিস্তানে রবীন্দ্রসঙ্গীত সম্প্রচার নিষিদ্ধ করলে শামসুর রাহমান তখন সরকার নিয়ন্ত্রিত পত্রিকা দৈনিক পাকিস্তান-এ কর্মরত থাকা অবস্থায় পেশাগত অনিশ্চয়তার তোয়াক্কা না করে রবীন্দ্রসঙ্গীতের পক্ষে বিবৃতিতে স্বাক্ষর করেন যাতে আরো স্বাক্ষর করেছিলেন হাসান হাফিজুর রহমান, আহমেদ হুমায়ুন, ফজল শাহাবুদ্দীন ।

১৯৬৮ সালের দিকে পাকিস্তানের সব ভাষার জন্য অভিন্ন রোমান হরফ চালু করার প্রস্তাব করেন আইয়ুব খান যার প্রতিবাদে আগস্টে ৪১ জন কবি, সাংবাদিক, সাহিত্যিক, বুদ্ধিজীবী, শিক্ষক ও সংস্কৃতিকর্মী এর বিরুদ্ধে বিবৃতি দেন যাদের একজন ছিলেন শামসুর রাহমানও। কবি ক্ষুদ্ধ হয়ে লেখেন মর্মস্পর্শী কবিতা ‘বর্ণমালা, আমার দুঃখিনী বর্ণমালা’ । ১৯৬৯ সালের ২০ জানুয়ারি গুলিস্তানে একটি মিছিলের সামনে একটি লাঠিতে শহীদ আসাদের রক্তাক্ত শার্ট দিয়ে বানানো পতাকা দেখে মানসিকভাবে মারাত্মক আলোড়িত হন শামসুর রাহমান এবং তিনি লিখেন ‘আসাদের শার্ট’ কবিতাটি।

১৯৭০ সালের ২৮ নভেম্বর ঘূর্ণিদুর্গত দক্ষিণাঞ্চলের লাখ লাখ মানুষের দুঃখ-দুর্দশায় ও মৃত্যুতে কাতর কবি লেখেন ‘আসুন আমরা আজ ও একজন জেলে’ নামক কবিতা । ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় পরিবার নিয়ে চলে যান নরসিংদীর পাড়াতলী গ্রামে। এপ্রিলের প্রথম দিকে তিনি লেখেন যুদ্ধের ধ্বংসলীলায় আক্রান্ত ও বেদনামথিত কবিতা ‘স্বাধীনতা তুমি’ ও ‘তোমাকে পাওয়ার জন্য হে স্বাধীনতা’ । শামসুর রাহমান ১৯৮৭ সালে এরশাদের স্বৈরশাসনের প্রতিবাদে দৈনিক বাংলার প্রধান সম্পাদকের পদ থেকে পদত্যাগ করেন।

১৯৮৭ থেকে পরবর্তী চার বছরের তিনি প্রথম বছরে ‘শৃঙ্খল মুক্তির কবিতা’, দ্বিতীয় বছরে ‘স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে কবিতা’, তৃতীয় বছরে ‘সাম্প্রদায়িকতার বিরুদ্ধে কবিতা’ এবং চতুর্থ বছরে ‘সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে কবিতা’ লেখেন । ১৯৯১ সালে এরশাদের পতনের পর লেখেন ‘গণতন্ত্রের পক্ষে কবিতা’। অসাম্প্রদায়িক চেতনা ও জনমানুষের প্রতি অপরিসীম দরদ তাঁর চেতনায় প্রবাহিত ছিল। শামসুর রাহমানের বিরুদ্ধে বারবার বিতর্ক তুলেছে কূপমণ্ডুক মৌলবাদীরা। তাঁকে হত্যার জন্য বাসায় হামলা করেছে। এতকিছুর পরও কবি তাঁর বিশ্বাসের জায়াগায় ছিলেন অনড়।

প্রথম গান দ্বিতীয় মৃত্যুর আগে, রৌদ্র করোটিতে, বিধ্বস্ত নীলিমা, নিরালোকে দিব্যরথ, নিজ বাসভূমে এ পাঁচটি কাব্যগ্রন্থ রচনা করতে শামসুর রাহমান সময় দেন বিশ বছর। তাঁর লেখক জীবনের ছাপ্পান্ন-সাতান্ন বছরের মধ্যে পরবর্তী ছত্রিশ বছরে কাব্যগ্রন্থের সংখ্যা ষাটটি। বন্দী শিবির থেকে তাঁর মোড় পরিবর্তনের কাব্য। এ-কাব্যগ্রন্থেই তিনি প্রকৃত নিজস্বতা অর্জন করেন। তাঁর কবিতার বিষয় অবশ্য পঞ্চম কাব্যগ্রন্থ নিজ বাসভূমে থেকেই ধীরে ধীরে বদলাতে শুরু করে। নিজ বাসভূমেতে তিনি প্রথম আত্মকেন্দ্রিকতা থেকে বেরিয়ে সমসাময়িক সময়ের রূঢ় বাস্তবতার দিকে অগ্রসর হন। পরবর্তী কাব্যগ্রন্থ বন্দী শিবির থেকে হতে তাঁর নিজস্ব কণ্ঠ ধ্বনিত হলো।

শামসুর রাহমান যে কাব্য সাধনা করেছেন, তার মধ্যে ফাঁকি নেই, কবিতার শিল্পরূপ সম্পর্কে তার যে প্রত্যয় আছে, তার মধ্যে আপসের সুযোগ নেই। অন্য দিকে তিনি মানুষকে ভালোবাসেন হয়তো বিশেষ করে ভালোবাসেন তার দেশকালের মানুষকে, সে ভালোবাসার মধ্যে কোনো দ্বন্দ্ব নেই। শামসুর রাহমানের বিশেষ কৃতিত্ব এই যে, কবিতার প্রতি ও মানুষের প্রতি বিশ্বস্ততাকে তিনি এক জায়গায় মেলাতে পেরেছেন।

খান সারওয়ার মুরশিদ এর একটি বক্তব্য “শামসুর রাহমানের কাব্যিক অবদান অমূল্য। মানুষের ভাগ্য নিয়ে, জাতির ভাগ্য নিয়ে এ কবি খুব ভাবেন, বিশ্বাসে অবিশ্বাসে থাকে ‘প্রতীক্ষায়… প্রতীক্ষায়… প্রতীক্ষায়…। শামসুর রাহমানে মানুষ নির্ভরতা নিষ্ঠা এবং বীরপনা মনকে স্পর্শ করে, তার শক্তির কথা ভাবলে আমার মনে হয়, তিনটি ক্লাসিক লাইন লিখে অমর হওয়ার প্রচেষ্টায় এ কবি, লিপ্ত ছিলেন না। তবুও এই অভিযাত্রী কবির রচনার প্রাচুর্য এবং উৎকর্ষ একটি বড় প্রতিভারই সাক্ষ্য বহন করে এবং শামসুর রাহমানের কাছে বাঁচা মানেই ছিল কবিতা।”

কবি সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় বলেছেন, ‘শামসুর রাহমান আমাদের সময়ের সবচেয়ে বড় কবি। বাঙালি জাতির জন্য একটি স্বাধীন রাষ্ট্র জন্ম নিয়েছে; বাংলাদেশ। এই রাষ্ট্রের জন্ম আমরা দেখেছি। শামসুর রাহমান এই রাষ্ট্রের মহান স্বাধীনতা যুদ্ধের সময়ের একজন বীর শব্দসৈনিক হিসেবে ভূমিকা রেখেছেন। তিনি ‘মজলুম আদিব’ ছদ্মনামে যে কবিতাগুলো লিখেছিলেন ‘দেশ’ পত্রিকায়, সেগুলো ছিল অসাধারণ! আনন্দবাজার প্রকাশনা গ্রুপের সঙ্গে যুক্ত থাকার কারণে রাহমানের এই সম্পৃক্তির কথা আমি জানতাম।’

জীবদ্দশায় শামসুর রাহমানর ৬৬টি কাব্যগ্রন্থ, ৪টি উপন্যাস, ১টি প্রবন্ধগ্রন্থ, ১টি ছড়ার বই ও ৬টি অনুবাদ গ্রন্থ প্রকাশিত হয়। তিনি অর্জন করেছেন আদমজী সাহিত্য পুরস্কার, বাংলা একাডেমি পুরস্কার, একুশে পদক, নাসির উদ্দিন স্বর্ণপদক, জীবনানন্দ পুরস্কার, আবুল মনসুর আহমদ স্মৃতি পুরস্কার, মিৎসুবিসি পুরস্কার (সাংবাদিকতার জন্য), স্বাধীনতা পদক, আনন্দ পুরস্কার।

এছাড়াও ভারতের যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় এবং রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয় সম্মানসূচক ডিলিট উপাধিতে ভূষিত করে এই মহান কবিকে।

২০০৬ সালের ১৭ আগস্ট বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন এই কবি। নিজের ইচ্ছা অনুযায়ী ঢাকার বনানী কবরস্থানে মায়ের কবরের পাশে সমাধিস্থ করা হয় তাকে।

আরও পড়ুন : শামসুর রাহমানের সাক্ষাৎকার । হুমায়ুন আজাদ।

Facebook Comments
share on: