ফ্রান্সিস ফোর্ড কপোলা

share on:
ফ্রান্সিস ফোর্ড কপোলা

ফ্রান্সিস ফোর্ড কপোলা একুশ শতকের ষাটের দশকের লিডিং ডিরেক্টরদের মধ্যে অন্যতম।হলিউড নিউ ওয়েবফিল্মের অন্যতম কারিগরও তিনি। কপোলা সারাবিশ্বে সর্বাধিক বেশি পরিচিত মারলোন ব্রান্দো আল পাচিনো অভিনীত চলচ্চিত্রদা গডফাদারসিরিজ নির্মানের জন্য

চলচ্চিত্র নির্মাতা, চিত্রনাট্যকার প্রযোজক ফ্রান্সিস ফোর্ড কপোলা ১৯৩৯ সালে এপ্রিল মিসিগানের ডেট্রয়েটে জন্মগ্রহণ করেন

কপোলার চলচ্চিত্র নির্মাণে আগ্রহ জন্মে নিউইয়র্কের হফস্ট্রা বিশ্ববিদ্যালয়ে নাট্যতত্ব বিষয়ে অধ্যয়নের সময়। ১৯৬০ সালে স্নাতক অধ্যায়নের পর ক্যালিফোর্নিয়ার ইউক্ল্যাতে চলচ্চিত্র শিক্ষা প্রোগ্রামে ভর্তি হন। সেখানেই তিনি বেশ কয়েজন পাইওনিয়ার চলচ্চিত্র নির্মাতাকে শিক্ষক হিসেবে পান। বিশেষ করে নারী চলচ্চিত্র নির্মাতা চিত্রনাট্যকার ডরথি আর্জনারে  প্রিয়ভাজন হন। এখানে পড়ার সময়েই ১৯৬৩ সালে বিমুভি ( কম বাজেটের কমার্শিয়াল চলচ্চিত্র)’ ওস্তাদ নির্মাতা রাগার করম্যানের সহায়তায়১৯৬৩ ডেমেনশিয়া থারটিনশিরোনামের প্রথম পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র নির্মাণ শুরু করেন। নিজের চিত্রনাট্যে নির্মিত চলচ্চিত্রটি যদিও পরবর্তিতে মুক্তি পায়নি

কপোলা চলচ্চিত্র নির্মাতা হিসেবে প্রথম আলোচনায় আসেন ১৯৬৮ সালে নির্মিত মিউজিক্যাল চলচ্চিত্রফিনিয়ানস রেইনবো মাধ্যমে

কপোলা প্রথম আন্তার্জাতিকভাবে পরিচিত হন ১৯৭০ সালেপ্যাট্রোনচলচ্চিত্রের মাধ্যমে। চলচ্চিত্রের চিত্রনাট্য রচয়িতা হিসেবে তিনি অস্কার প্ররস্কার অর্জন করেন

১৯৭২ সালে মারিয়ো পূজোর কাহিনী অবলম্বনে নির্মিতদা গডফাদারতাকে এনে দেয় অবিস্মরণীয় সাফল্য। চলচ্চিত্রের ব্যাবসায়িক সাফল্যের সাথে সাথে তিনি অস্কারে সেরা পরিচালক, সেরা চলচ্চিত্র সেরা অ্যাডপ্টেড চিত্রনাট্যকারের পুরস্কার অর্জন করেন

১৯৭৪ সালে মুক্তি পাওয়া সিরিজের দ্বিতীয় চলচ্চিত্রদা গডফাদার তেও এই ধারাবাহিকতা অব্যহত থাকে

চলচ্চিত্র নির্মাণের পাশাপাশি ১৯৭৯ সালে তিনি চলচ্চিত্রের উন্নয়নের জন্য প্রযোজনা শুরু করেন। ১৭৭৯ সালে তিনি প্রযোজনা করেন ভিয়েতনামের যুদ্ধের কাহিনী অবলম্বনে তৈরিঅ্যাপোকালিপস নাউচলচ্চিত্রটির। জোসেফ কর্ণাডের হার্ট অব ডার্কনেস অবলম্বনে নির্মিত চলচ্চিত্রটির নির্মাতাও তিনি। একই বছরে ফ্যামিলী ফ্রেন্ডলি ড্রামাফিল্মদা ব্লাক স্টেইলোন এক্সিকিউটিভ প্রডিউসার হিসেবেও কাজ করেন তিনি

৮০ নম্বইয়ের দশকে তিনি অনেকগুলো চলচ্চিত্র নির্মান করেন। এর মধ্যে ১৯৮৩ সালেরআউটসাইডার’,  ১৯৮৪ সালেরদা কটোন ক্লাব’, ১৯৯০ সালেদা গডফাদার ১৯৯২ সালে ড্রাকুলা বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য

১৯৯৭ সালেদা রেইনমেকারনির্মাণের পর তিনি চলচ্চিত্র নির্মাণ থেকে অবসর নেন। ১৯৯৯ সালে তিনি তার মেয়ে সোফিয়ার প্রথম চলচ্চিত্রদি ভার্জিন সুইসাইডস প্রযোজনা করেন। এরপর বেশ কয়েটি চলচ্চিত্র টেলিভিশন অনুষ্ঠানের তিনি প্রযোজক এক্সিকিউটিভ প্রযোজক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন

২০০৭ সালেইয়ুথ উহদাউট ইয়ুথচলচ্চিত্র নির্মাণের মধ্য দিয়ে পুনরায় চলচ্চিত্র নির্মান শুরু করেন। ২০০৯ সালে নির্মান করেনটেট্রোএবং ২০১১ সালে নির্মাণ করেনটুইক্সট। ২০১৬ সালে মুক্তি পায় ‘ডিসট্যান্ট ভিশন’। বর্তমানে ব্যস্ত আছেন ‘মেগালোপলিস’ নামের একটি চলচ্চিত্র নির্মাণে।

ফেসবুকে সংস্কৃতি ডটকমের পেইজে লাইক দিন এখানে ক্লিক করে।

আরও পড়ুন : জিম জারমুশ : সিনেমা নির্মাণে পাঁচ পরামর্শ

Facebook Comments Box
share on: