দ্বিতীয় পুরুষ : তৃতীয় শ্রেণীর একটি ছবি

share on:
দ্বিতীয় পুরুষ

দ্বিতীয় পুরুষ
পরিচালক- সৃজিত মুখোপাধ্যায়।
অভিনয়ে- অনির্বাণ ভট্টাচার্য, পরমব্রত চট্টোপাধ্যায়, রাইমা সেন, আবীর চট্টোপাধ্যায়, গৌরব চক্রবর্তী, ঋতব্রত মুখোপাধ্যায়।

সৃজিত মুখোপাধ্যায়ের ‘দ্বিতীয় পুরুষ’ ছবিটা দেখতে দেখতে আমার নচিকেতার একটা জনপ্রিয় গানের কথা বারবার মনে পড়ছিল। গানটা হল ‘জনতা জনার্দন শুনে হবেন বড় প্রীত/পুরুষ মানুষ দু-প্রকার জীবিত বিবাহিত’। মনে হওয়ার কারণ হল এক্ষেত্রেও ছবিটা দেখতে বসে আমার দু-প্রকার পুরুষ মানুষের কথা মাথায় আসছিল। এক, যারা ছবিটা দেখেননি। অর্থাৎ জীবিত। আর দুই, আমার মত যারা ছবিটা টিকিট কেটে দেখছেন।

কিন্তু শেষ পর্যন্ত ছবিটা দেখে আমার আবার ছোটবেলায় খাওয়া একটা বিয়েবাড়ির নেমন্তন্নের কথা মনে পড়ে গেল। ওই বিয়েতে প্রায় কোন পদই বসে খাওয়া যাচ্ছিল না। আইটেম ছিল সবই। খাসীর মাংস, মাছের কালিয়া, ছানার কোপ্তা ইত্যাদি। কিন্তু প্রতিটা পদই ছিল অখাদ্য। কোপ্তাটা খুবই শক্ত, মাছটা পচা আর খাসীর মাংসে মাংস টুকরো কম হাড়গোড় আর অণ্ডকোষের পরিমাণই ছিল বেশি। কিন্তু চমকটা ছিল একেবারে শেষ। শেষ পাতে একটা বিউটিফুল মিষ্টি ( পরে জেনেছিলাম যে সেটা ভীমনাগের মিষ্টি ছিল) দিয়ে খাওয়াদাওয়ার পরিসমাপ্তি ঘটানো হয়েছিল।

আসলে লোকাল মিষ্টির দোকান থেকেই মিষ্টি আসার কথা ছিল। কিন্তু কর্মকর্তারা বুঝেছিলেন যে এই রান্না খাওয়ার পর লোকে খিস্তি দেবে গুছিয়ে (কলোনি পাড়া। কেউ ছেড়ে কথা বলেনা)। তাই শেষ মুহূর্তে ভীমনাগের মিষ্টি এনে ড্যামেজ কন্ট্রোল দেওয়ার চেষ্টা আরকি। ‘দ্বিতীয় পুরুষ’ ছবিটাও ওই বিয়েবাড়িরই মতন। একশ দশ মিনিট অখাদ্য জিনিসপত্র পরিবেষণ করবার পর ইন্টারেস্টিং শেষ পনের মিনিট দিয়ে ড্যামেজ কন্ট্রোল করার চেষ্টা। শেষ পনের মিনিটটা বেশ ভালই ছিল। আর এই পনের মিনিটটাই এই ছবিটাকে পরিচালকের সব থেকে খারাপ ছবি হওয়ার হাত থেকে বাঁচিয়ে দিল।

নইলে ‘জুলফিকার’কে কঠিন প্রতিযোগিতায় ফেলে দেওয়ার মত প্রায় সমস্ত উপাদানই ছবিটাতে ছিল। জুলফিকারে ক্ষিদিরপুর ডক অঞ্চলের বালখিল্য চিত্রায়ন করে সেখানকার ইতিহাস, ভূগোল, রাজনীতি, ভাষা ও বাস্তব জীবনের পিণ্ডি চটকানো হয়েছিল আর এই ছবিতে চটকানো হয়েছে ট্যাংরার চায়না টাউন অঞ্চলের প্রকৃত বাস্তবের। ওখানে জুলফিকারের ভূমিকায় প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়কে চলনে, বলনে, সাজ-সজ্জায় জেলে পাড়ার একজন পাক্কা সং লেগেছিল। আর এখানে খোকা গুণ্ডার ভূমিকায় অভিনয় করা অনির্বাণ ভট্টাচার্যকে তার খুব কাছাকাছি ধরণের সং-ই লেগেছে। যাই হোক এবার ছবির গল্পে আসা যাক।

ছবিটা থ্রিলার ঘরানার। টাইটেল কার্ড শুরু হয় আগাথা ক্রিস্টি এবং আর্থার কোনান ডয়েলকে উৎসর্গ করে। বেঁচে থাকলে হয়ত দুজনেই আত্মহত্যা করতেন। ২৫ বছর আগের চায়না টাউন অঞ্চলের একটি গ্যাং ওয়ারের গল্প দিয়ে ছবি শুরু হয়। যেখানে খোকা নামের ১৫-১৬ বছরের এক কিশোর গ্যাংটা চালায়। এবং পরপর ৩টে খুন করে। যদিও একটা খুন দেখানো হয়না। মুখে বলা হয়। খোকার স্টাইল হল খুন করার পর মৃত ব্যক্তির কপালে ছুরি দিয়ে নিজের নামটা লিখে দেওয়া। খোকা বাই সেক্সুয়াল। তার পলটন নামের একজন বয় ফ্রেন্ড আছে। তাকে অন্ধকারে নিয়ে গিয়ে যৌনাচার করে। এবং সে বেশ্যা গৃহেও গমন করে।

১৫ বছর বয়েসে এহেন উদ্দাম যৌনাচার ও তুখোড় ক্রিমিনাল মানসিকতা স্বাভাবিক কিনা আমার ঠিক জানা নেই। সাইক্রিয়াটিস্টরা বলতে পারবেন। তবে পরিচালক নিশ্চয়ই কিশোর মনস্তত্ব নিয়ে পড়াশোনা করেই ব্যপারটা করেছেন। এহেন নটোরিয়াস খোকা একদিন পুলিশের হাতে ধরা পরে এবং তার ২৫ বছরের জেল হয়। একজন নাবালকের এভাবে জেল হয় কিনা সেটা আমার ঠিক জানা নেই। আইনের লোকেরা বলতে পারবেন। তবে পরিচালক নিশ্চয়ই আইন নিয়ে পড়াশোনা করেই ব্যপারটা করেছেন।

সেখান থেকে ছবিটা ২৫ বছর পর অর্থাৎ ২০১৮ তে চলে আসে। যেখানে খোকা জেল থেকে মুক্তি পেয়ে আবার চায়না টাউনে ফিরে আসে। এবং সেখানে আগের মতই একটা মৃতদেহ পাওয়া যায় যার কপালে খোকা লেখা আছে। সেই একটা খুন দেখেই পুলিশ বুঝতে পারে ( কিভাবে বুঝতে পারে সেটা বোঝা যায়না। ব্যপারটা খুবই ঝাপসা।) যে এইবার খোকা পরপর এরকম ভাবে আরও সিরিয়াল কিলিং করবে। আর খোকাকে আটকানোর জন্য ডাক পরে পুলিশ অফিসার অভিজিৎ পাকড়াশী অর্থাৎ পরমব্রত চট্টোপাধ্যায়ের। যিনি ৮ বছর আগে পরিচালকের ‘২২শে শ্রাবণ’ ছবিটিতে সিরিয়াল কিলিং-এর কেস সলভ করে এ বিষয়য়ের একজন অথরিটি হয়ে বসে আছেন। এবার তিনি তদন্ত করতে শুরু করেন যে এই খুন কে করেছে। আদৌও কি খোকা করেছে? নাকি এর পেছনে অন্য কোন রহস্য আছে।

তবে তার তদন্ত করার পদ্ধতিটা অদ্ভুত। তিনি খুন হওয়ার পর লাশ দেখতে যান আর তারপর ঘরে বসে বসে জুনিয়র রজতকে (গৌরব চক্রবর্তী) জ্ঞান দেন। আর খুব একটা বিশেষ কিছু করেন না। আর কেউ তাকে কিছু বলেও না। এদিকে খোকা বহাল তবিয়তে চায়না টাউনে ঘুরে ঘুরে বেড়ায়। চাউমিন খায়, দোলনা চড়ে, হিন্দি গান গায়। যেন খোকা জানেই না যে পুলিশ তাকে খুঁজছে। এবং সেটা এক অর্থে ঠিকই। কারণ খোকাকে খুঁজে বার করার প্রায় কোন চেষ্টাই পুলিশ করেনা। এক ঘণ্টা তিরিশ মিনিটের মাথায় অভিজিৎ গোরা নামে খোকার এক সাগরেদকে প্রথমবার জিজ্ঞেস করে যে ‘বল শালা খোকা কোথায়’। তার আগে প্রায় পুরটাই ঘরে বসে আলোচনা। ফিল্ডে গিয়ে খোঁজাখুঁজি প্রায় নেই।

মেঘদূত রুদ্র
মেঘদূত রুদ্র, লেখক।

ছবিতে সবই একটু একটু করে বলা আছে। যুক্তির গলদ যে গণ্ডায় গণ্ডায় আছে তা নয়। কিন্তু কিছু গলদ তো আছেই। যেমন পরমব্রত কখন ক্রিকেটের ভক্ত হল বোঝা গেলনা। সেরকম কোন দৃশ্য নির্মাণ করা হল না। অথচ হঠাৎ বলা হল যে সে বিশাল ভক্ত। আর সেই নিয়ে কিঞ্চিৎ জ্ঞান দেওয়া হল। খোকার প্রিয় খাবার হল চিকেন চাউমিন আর চিলি ফিস। বিশেষ বিশেষ মুহূর্তে ও এটা খেতে চায়। ছবিতে এটা ৩-৪ বার আছে। কিন্তু তার মধ্যে একবার ভুল করে সেটাকে সেজুয়ান চাউমিন বলে দেওয়া হয়েছে। কারুর নজরে পরে নি। এছাড়া বাবুল সুপ্রিয়র চরিত্রটা যে দুম করে কোথা থেকে এলো আর কিঞ্চিত জ্ঞান আর গালাগালি দিয়ে কোথায় চলে গেল কেউ জানেনা।

একবার শোনা গেল খোকার মাথায় একজন মিনিস্টারের হাত আছে। কার হাত, কি বৃত্তান্ত কিছুই জানা গেলনা। রজতের কোনো সেক্সুয়াল আর্জ নেই। পাশের ঘরে প্রেমিকা অপেক্ষা করে আছে সঙ্গমের জন্য কিন্তু সেখানে না গিয়ে ও স্বেচ্ছায় দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে বসের জ্ঞান শোনে। অস্বাভাবিক লাগে। বিয়ের প্রথম দিন থেকেই কেন পরমব্রত আর রাইমার সম্পর্কটা দানা বাঁধে না সেটা ক্লিয়ার না। আর সম্পর্ক যখন ওয়ার্ক করছেই না তখন ৭-৮ বছর ধরে কেনই বা সেটাকে টানা হয়েছে বোঝা গেলনা।  রজত খুন হওয়ার পর অভিজিতকে দেখে মনে হল সে যেন একজন শিশুর মত ইনোসেন্ট ব্যক্তি।

সে জানেই না যে খুন হতে পারে বা হয়েছে। ২৫ বছর পর ফিরে এসে খোকা দুম করে আবার কিভাবে গ্যাং লিডার হয়ে গেল বোঝা গেলনা, একজন অশিক্ষিত-অসামাজিক ছেলে ১৫ বছর বয়েসে পড়াশোনা শুরু করে তুখোড় বাংলা বিশেষজ্ঞ হয়ে যাওয়াটাও সৃজিতচিত স্মার্টনেশ। নয় নয় করে তো অনেকগুলোই হয়ে গেল। ছবিটা আরেকবার দেখলে আরও অনেক গলদ পাওয়া যাবে বলে আমার বিশ্বাস। তবে এই অসম্ভব কাজটা যদি কেউ করতে পারেন তাহলে তাঁকে এই কাজটার জন্য ম্যাগসাইসাই জাতীয় পুরষ্কার দেওয়া যেতে পারে।

আসলে ছবিটা খুবই অযত্ন ও অবহেলায় তৈরি করা হয়েছে। প্রচণ্ড তাড়াহুড়ো করে দায়সারা ভাবে বানানো হয়েছে। কোন কিছুরই কোন মাথামুণ্ডু নেই। একটা দৃশ্যও মনে দাগ কাটে না। কেন জানিনা দেখতে দেখতে মনে হচ্ছিল যে ছবিটা পরিচালকের জুনিয়র অ্যাসিস্ট্যান্টেরা বা অন্য কেউ বানিয়ে দিয়েছে। সেটা হয়ত নয়। কিন্তু এত খারাপ ছবি তো সৃজিত মুখার্জী বানাতেন না। ‘২২শে শ্রাবণ’ যেই ছবির এটা স্পিন অফ সেটা বেশ ভালই ছবি ছিল। কিন্তু গত চার-পাঁচ বছর ধরে তার অধিকাংশ ছবিগুলিতে এই প্রবণতা দেখা যাচ্ছে যা খুবই হতাশাজনক।

এই ছবিতে প্রচুর জ্ঞান আছে। যখন কিছু করার থাকেনা তখন জেঠু শ্রেণীর লোকেরা প্রচুর জ্ঞান দিয়ে থাকেন। প্রথমে পরমব্রত তার জুনিয়র রজতকে সিরিয়াল কিলিং ব্যপারটা নিয়ে প্রায় ১০ মিনিট ধরে একটা জ্ঞান বাণী সেশন করে। ট্রেনে বিক্রি হওয়া বইয়ের মত। মাত্র দশ টাকায়  ‘স্বপ্ন ফল বিচার’, ‘মাইক্রোওয়েভে সহজে ১০১টা রেসিপি’-র মত ‘সিরিয়াল কিলিং নিয়ে সর্ব শিক্ষা অভিযান’।  তারপর বাংলা ভাষার উপর হিন্দি আগ্রাসন নিয়ে ছোটখাটো একটা সেশন চলে। ম্যারেজ কাউন্সিলিং নিয়েও চলে। টুকটাক চলতেই থাকে। আর আছে গণ্ডায় গণ্ডায় ‘চেজ সিকোয়েন্স’। চলছে তো চলছেই।

মনে হয় যেন অ্যাকশন ডিরেক্টরই প্রায় অর্ধেক ছবিটা বানিয়ে দিয়েছেন। ছবিতে অদ্ভুত কিছু চটকদার সংলাপ আছে। কে যেন একটা বলে যে ‘হুপিং কাশির টিকা দিস নি কেন?’। পোলিও, হেপাটাইটিস বি ইত্যাদির টিকা শুনেছি। হুপিং কাশির শুনিনি। ডাক্তাররা বলতে পারবেন। তবে পরিচালক নিশ্চয়ই টিকা বিষয়ক পড়াশোনা করেই ব্যপারটা করেছেন। তারপর একটা সংলাপ ছিল ‘হিস হিস করছিস কেন? হিসি পেলে মুতে আয় না’। দর্শক হাততালি দিয়ে ওঠে।

তারপর ‘স্যার আপনি বাড়ি (হোম) যাবেন না? কোথায় যাব, হোমের আগুনটাই তো নিভু নিভু হয়ে গেছে’। আবার হাততালি। তারপর ‘ইংরাজিতে পেট্রিচোর বলে কোন শব্দ নেই কিন্তু এই ঘরে একজন ছিঁচকে চোর আছে”। আর তারপর শেষের দিকে “তুমি ভেবেছিলে ছবির নাম হল ‘খোকা ৪২০’ আর আমি বলছি যে ছবির নাম হল ‘আমি কেন আসামী’”। না এবার আর কেউ হাততালি দেয়নি। কারণ ততক্ষণে প্রায় সবারই সহ্যের শেষ সীমা পেরিয়ে গেছে। আর আছে অনর্গল খিস্তি।

আসলে খিস্তি খুবই প্রোডাক্টিভ। বিয়েবাড়ির মিষ্টিটার মত। ছবি দেখে বেড়িয়ে আর কিছু মনে থাকুক না থাকুক খিস্তি গুলো মনে থাকে। দর্শকদের বলতে শুনলাম যে  ‘শুনেছিস পরমব্রত খানকির ছেলে বলেছে। বাঞ্চোতও বলেছিল। বাংলা ছবিতে প্রথমবার গুদির ব্যাটা বলল। ভাবা যায়না ইত্যাদি’। আমরা এত নিচে নেমে এসেছি? এখন এই ভাবে ছবি হিট করাতে হচ্ছে আমাদের? তাহলে তো সিনেমার A B C D থেকে আমাদের আবার শেখার করার দরকার আছে।

ছবির অভিনয় নিয়ে যত কম কথা বলা যায় ততই ভাল। যে যা পেরেছে করেছে। মনে হয় কেউ শুধরে দেওয়ার নেই। দেখিয়ে দেওয়ার নেই। চরিত্রগুলির কোন উৎসস্থল নেই, নির্মাণ নেই, বহমানতা নেই। গোটা ছবি জুড়ে অনির্বাণ চুড়ান্ত ওভার অ্যাক্টিং করে গেছে। ও যে কি বলছে সেটা প্রায় কিছুই বোঝা যায়না।

সাবটাইটেল দেখে বুঝতে হয়। ভাগ্যিস সাবটাইটেল দেওয়া হয়েছিল। ক্যামেরা, এডিট, সাউন্ডের ভাল-খারাপ কিছু বোঝা যায়না। আসলে স্ক্রিপ্ট যদি শিশুসুলভ হয় তাহলে এগুলি ছবিকে বাঁচাতে পারেনা। কোন কিছুই দাগ কাটে না। একমাত্র শেষ পনের মিনিট ছাড়া। সেখানে প্রচুর চমক টমক ইত্যাদি আছে। কিন্তু ছবিটা যেহেতু থ্রিলার তাই শেষটা বলব না। এটা আনএথিকাল হবে। ফলে ছবিটার ভাল দিকটা নিয়ে কিছুই বলা হলো না।

তবে এক ঘণ্টা পঞ্চাশ মিনিট ধরে অকথ্য অত্যাচার করার পর কেউ যদি হঠাৎ দুম করে আদর-আপ্যায়ন করতে শুরু করে তাহলে সেটা খুব একটা আরাম দায়ক হয়না। আসলে মনে হয় ছবির শেষটাই পরিচালক মন দিয়ে ভেবেছিলেন। আর সেটাকে একজিকিউট করার জন্য বাকিটা যেন তেন প্রকারে টেন হিঁচড়ে বানিয়েছেন। এভাবেই চলছে। আর হিট করানোর জন্য চমৎকার ব্যয়বহুল প্রচারণা কৌশল আর বন্ধু মিডিয়া তো আছেই। এই করে করেই বাংলা ছবির সর্বনাশ হয়ে গেছে। আর যেটুকু হওয়ার বাকি আছে সেটা আরও দ্রুত হয়ে যাবে বলে আমার মনে হয়।

ফেসবুকে সংস্কৃতি ডটকমের পেইজে লাইক দিন এখানে ক্লিক করে।

আরও পড়ুন : মৃণাল সেনের চলচ্চিত্র

দ্বিতীয় পুরুষ মুভি রিভিউ।

Facebook Comments
share on:
মেঘদূত রুদ্র

মেঘদূত রুদ্র

মেঘদূত রুদ্র, একজন বাংলা চলচ্চিত্র নির্মাতা , চলচ্চিত্র গবেষক ও আলোচক। নির্মাণ করেছেন ‘জাদু কড়াই’ শিরোনামের চলচ্চিত্র। প্রায় ১০ বছর ধরে তিনি খ্যাতনামা পরিচালক প্রদীপ্ত ভট্টাচার্যের অ্যাসিস্ট্যান্ট ডিরেক্টর হিসাবে কাজ করেছেন। এ ছাড়াও যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি চলচ্চিত্র বিষয়ক আর্কাইভেও বহু বছর কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে মেঘদূতের। সেই সুবাদে বেশ কিছু ডকুমেন্টারিও বানিয়েছেন। অধ্যাপক সঞ্জয় মুখোপাধ্যায়ের তত্ত্বাবধানে ‘বাংলা চলচ্চিত্রের প্রযুক্তি ও আঙ্গিক (১৯৫০-১৯৭০)’ বিষয়ে করেছেন পিএইচডি'র থিসিস। চলচ্চিত্র নিয়ে নিয়মিত রিভিউ লিখছেন পত্রিকায়।