আখতারুজ্জামান ইলিয়াস : লেখকদের লেখক

share on:
আখতারুজ্জামান ইলিয়াস

আখতারুজ্জামান ইলিয়াস বাংলা কথা-সাহিত্যের একজন অগ্রগণ্য ব্যক্তিত্ব। বাংলা সাহিত্যে সৈয়দ ওয়ালিউল্লাহ’র পরেই তিনি সর্বাধিক প্রশংসিত বাংলাদেশী লেখক।

৫টি ছোটগল্প গ্রন্থে প্রকাশিত ২৮টি গল্প,  ২টি উপন্যাস, ১টি প্রবন্ধ সংকলন এবং বিভিন্ন পত্রপত্রিকায় প্রকাশিত কিছু সাক্ষাৎকার- এই তাঁর প্রকাশিত রচনাবলী। পরিচিত অভিজ্ঞতার প্রায় সব স্তরের জীবনকে নির্মোহ দৃষ্টিতে একেবারে এর গভীরতম শাঁস পর্যন্ত অশেষ কৌতূহল নিয়ে পর্যবেক্ষণ করে শিল্পকর্মে তা বেপরোয়াভাবে প্রকাশ করার বিরল ক্ষমতা আমরা দেখতে পাই আখতারুজ্জামান ইলিয়াসের লেখায়।

নাজুক ও স্বল্পায়ু সময়ে তিনি মর্মভেদী দৃষ্টিকে শাণিত করে দেখেছেন তাঁর ইন্দ্রিয় ও বোধির চেনা বিশ্বকে। এই দেখা একাধারে নির্মম ও কৌতুকবহ।  ইলিয়াসের গল্পের বাস্তবতায় আরেকটি উল্ল্যেখযোগ্য বৈশিষ্ট্য হলো স্বপ্নচারিতা যা ঐন্দ্রজালিক এবং অতিপ্রাকৃত আবহে লালিত। ইলিয়াস তার লেখার বিভিন্ন বিচিত্র মানুষের জীবনযাত্রা, তাদের বিশ্বাস, সংস্কার , দুঃখ, শোক, আনন্দ আহ্লাদ, অনুভূতি উপলব্ধি, ভঙ্গি, সংলাপ ইত্যাদি যে স্বচ্ছন্দ অথচ তীর্যক ও কৌতুকবহ ভঙ্গিতে সৃষ্টি করেন তাতে তাঁর লেখা যেমন জীবনের একটি সামগ্রিক, পূর্ণ-বৃত্ত বাস্তবতা তৈরি করে, তেমনি তাতে তাঁর স্বকীয় ধাঁচও প্রতিষ্ঠিত হয়।

 

আর জীবনের এই সারাৎসারের অনুসন্ধানে নিয়োজিত থাকতে গিয়ে ইলিয়াস ব্যবহার করেন পর্যাপ্ত ডিটেলস্। তবে ডিটেলস্-র  প্রতি আকর্ষণ কিন্তু ইলিয়াসকে ভাসিয়ে নিয়ে যায় না। বরং সচেতন নিমগ্নতা তাঁকে বাস্তব পরিপ্রেক্ষিতের প্রতি বিশ্বস্থ থাকতে প্ররোচিত করে। ইলিয়াসের লেখার আরেকটি উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্য পরিমিতিবোধ। তিনি জানেন কখন বিবরণ শেষ করে ঘটনা সৃষ্টি করতে হয়, কিংবা কখন বর্ণনায় ছেদ টেনে কাহিনীর গতিকে এগিয়ে নিতে হয়। তার লেখায় রাজনৈতিক-সামাজিক-সাম্প্রদায়িক বিষয় তিনি পরিমিত পরিসরে নির্মোহ দূরত্ব রেখে উপস্থাপন করেন।

এই অসাধারণ ক্ষমতা তাঁকে আর যে গুরুত্বপূর্ণ সাফল্য অর্জনে সাহায্য করে তা হলো চরিত্র সৃষ্টি। ইলিয়াসের কাহিনীর মানুষজন সবাই খুব জীবন্ত। আঞ্চলিক সংলাপের উল্লেখযোগ্য ব্যবহারও ইলিয়াসের লেখার আরেকটি উল্লেখযোগ্য দিক। লেখার চরিত্রগুলো তার সামাজিক-ভৌগলিক অবস্থান অনুযায়ী আচরণ করে এবং কথা বলে।

আখতারুজ্জামান ইলিয়াস তাঁর প্রতিভার যথার্থ প্রকাশ ঘটিয়েছেন তাঁর উপন্যাসেই। উপন্যাসের বিস্তৃত পটভূমিতে তিনি ইচ্ছেমতো সমাবেশ ঘটিয়েছেন বিভিন্ন শেণীর, বিভিন্ন ধাঁচের মানুষের; তারপর নিজের মনের মতো করে অনেকটা সময় ও স্থান জুড়ে তাদের নির্মাণ করেছেন। উপন্যাস তিনি লিখেছেন দুটি। চিলেকোঠার সেপাই ও খোয়াবনামা। দুটো উপন্যাসেই তিনি উপজীব্য করেন এদেশের এমন দুই ক্রান্তিকালীন ঘটনা যাদের যথার্থ শিল্প-নির্মাণ কেবল উপন্যাসের অবারিত পরিমণ্ডলেই সম্ভব।

চিলেকোঠার সেপাই- উপন্যাসের বিষয় এদেশের রাজনীতির পাকিস্তান পর্বের সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য আন্দোলন উনসত্তরের গণআন্দোলন।  এ আন্দোলনকে ইলিয়াস যেভাবে শিল্পসম্মতভাবে পুননির্মাণ করেন তা আমাদের সাহিত্য ইতিহাসে বাস্তবিকই অভূতপূর্ব। বাংলাদেশের জন্য এ গণআন্দোলনের তাৎপর্য অপরিসীম কেননা পাকিস্তানী রাজনীতির তথা সামন্তবাদ, উপনিবেশবাদ, পুঁজিবাদ, আমলাতন্ত্র, সামরিক শাসন ইত্যাদির হরেক রকমের উপাদানের জগাখিচুড়ি মেশানো যে শাসন সে সময়ে চলছিলো তার বিরুদ্ধেই সারাদেশের সাধারণ মানুষের পুঞ্জীভূত ক্রোধের প্রথম বিস্ফোরণ ঘটেছিলো এ আন্দোলনে।

তখন এই ক্রোধকে ধারণ করে বিপ্লবে পরিণত করার মতো না ছিলো কোনো বিপ্লবী সংগঠন, না ছিলো কোনো বিপ্লবী নেতা। ফলে এ আন্দোলনের ভার পড়ে ছাত্র তথা মধ্যশ্রেণীর উপর। নানা সীমাবদ্ধতা স্বত্ত্বেও এই নেতৃত্ব আন্দোলনকে বহুলাংশে ধারণ করে বহুদূর এগিয়ে নিয়ে যেতে সক্ষম হয়।  এরপর জেল থেকে নেতৃবৃন্দ মুক্তি পেলে আন্দোলনে ভাটা পড়ে। চিলেকোঠার সেপাই-এ আগুন ও পানির প্রতীক ব্যবহার করে পাগল ওসমানের মাধ্যমে বেশ অনেকটা স্থান জুড়ে ইলিয়াস এই বিষয়টি প্রকাশ করেন। ইলিয়াসের কাছে এ আন্দোলন আগের সব আন্দোলনের চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ ছিলো -এজন্য যে এতে গণমানুষ তাদের অর্থনৈতিক মুক্তির জন্য স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করেছিলো।

দ্বিতীয় এবং শেষ উপন্যাস, এবং সম্ভবত তাঁর শ্রেষ্ঠ কর্ম, খোয়াবনামা। এ উপন্যাসে ইলিয়াস আরেকটি যে রাজনৈতিক ঘটনা উপজীব্য করলেন তার পটভূমি ও প্রভাব আরো বিস্তৃত, আরো তাৎপর্যপূর্ণ।  এ উপন্যাসের মূল প্রসঙ্গ বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চলে জেলে-চাষী অধ্যুষিত একটি জনপদে পাকিস্তান আন্দোলনের প্রভাব। কিন্তু এই প্রসঙ্গ অতীতে অন্তত দুশো বছর এবং ভবিষ্যতে ইঙ্গিতে বহুদূর পর্যন্ত বিস্তৃত। ইলিয়াসের আগে বাংলা উপন্যাসে এরকম একেবারে মাটিঘেঁষা মানুষের অবচেতনে এমন অন্তর্ভেদী দৃষ্টি নিয়ে চলাফেরার নমুনা যেমন বিরল, তেমনি এমন শিল্প সার্থকতায় ধর্মীয় সম্প্রীতির কথাও সম্ভবত আর কেউ বলেন নি।  খোয়াবনামার বহু সাফল্যের ভেতর সাম্প্রদায়িক মেলবন্ধনের এই শিল্পসম্মত উজ্জ্বল চিত্রও একটি।

রাজনীতি আমাদের জীবনের একটি প্রধান নিয়ামক হলেও আমাদের সাহিত্যে সরাসরি রাজনৈতিক প্রসঙ্গ ব্যাপকভাবে আসেনি। রাজনীতির সঙ্গে লেখকেরা সবসময়ই যেন কিছুটা নিরাপদ দূরত্ব বজায় রেখে চলেছেন। ইলিয়াসই প্রথম এতোটা সার্থক শিল্পসম্মতভাবে দুটো প্রধান আন্দোলনকে তাঁর দুই উপন্যাসে ধারণ করলেন।

মুক্তিযুদ্ধ নিয়েও খুব বড় ক্যানভাসে একটি উপন্যাস লেখার পরিকল্পণা করেছিলেন ইলিয়াস। কিন্তু এই উপন্যাস লেখার সময় জীবন তাকে দেয়নি। তিনি লিখতে পারলে হয়তো মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে বস্তুনিষ্ঠ ও শিল্পসম্মত উপন্যাস নেই – এই আক্ষেপটা আর থাকতো না।

ইলিয়াসের ননফিকশন গদ্যরচনার বিষয়বস্তু বিচিত্র। তিনি যেমন সাহিত্য সংস্কৃতি নিয়ে খুব স্পস্ট ও যৌক্তিক মতামত প্রকাশ করে প্রবন্ধ লিখেছেন, তেমনি বিভিন্ন সামাজিক, ঐতিহাসিক ও রাজনৈতিক দিন, ঘটনা, আন্দোলন নিয়েও লিখেছেন। আামাদের সমাজ, বিশেষ করে মধ্যবিত্তশ্রেণীর বিশ্বাসে ও জীবনযাপনে যে অসঙ্গতি, শঠতা ও ভন্ডামি নিত্যনিয়ত প্রকাশিত তার আনুপুঙ্খ বিশ্লেষণ ইলিয়াস তাঁর বেশ কয়েকটি প্রবন্ধে- ‘সংস্কৃতির ভাঙা সেতু’, ‘উপন্যাস ও সমাজবাস্তবতা’, ‘বাংলা ছোটগল্প কি মরে যাচ্ছে?’ – বিশদভাবে করেছেন। সমাজ ও রাষ্ট্রব্যবস্থার, শোষণ ও প্রতারণার দেশী ও আন্তর্জাতিক চক্রের কখনো চাক্ষুস কখনো অদৃশ্য সম্পর্কর জটিল গ্রন্থিগুলোর নির্ভুল সনাক্তকরণের মাধ্যমে ইলিয়াস তাঁর দৃষ্টিভঙ্গির স্বচ্ছতা প্রমাণ করেছেন।

তার পুরো নাম আখতারুজ্জামান মোহাম্মদ ইলিয়াস। ডাক নাম মঞ্জু। ১৯৪৩ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি গাইবান্ধার গোটিয়া গ্রামে মামার বাড়িতে জন্মগ্রহণ করেন। তার বাবার বাড়ি বগুড়া জেলায়। বাবা বদিউজ্জামান মোহাম্মদ ইলিয়াস পূর্ব বাংলা প্রাদেশিক পরিষদের সদস্য (১৯৪৭-১৯৫৩) এবং মুসলিম লীগে পার্লামেন্টারী সেক্রেটারী ছিলেন। তার মায়ের নাম বেগম মরিয়ম ইলিয়াস।

তিনি বগুড়া জিলা স্কুল থেকে ১৯৫৮ সালে ম্যাট্রিকুলেশন এবং ঢাকা কলেজ থেকে ১৯৬০ সালে ইন্টারমিডিয়েট পাস করেন। এরপর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বাংলায় অনার্স ও মাস্টার্স পাস করেন (১৯৬৪)।

তার কর্মজীবন শুরু হয় করটিয়া সা’দত কলেজে প্রভাষক পদে যোগদানের মাধ্যমে। কর্তৃপক্ষের সঙ্গে মতের মিল না হওয়ায় দু-তিন দিন পর চাকরিটি ছেড়ে দেন। ১৯৬৫ সালের আগস্ট মাসে প্রভাষক হিসেবে যোগ দেন জগন্নাথ কলেজে। ১৯৭৫ সালে শেখ মুজিবুর রহমান বাকশাল গঠন করার পর সরকারি কলেজের শিক্ষক হিসেবে তার উপরও বাকশালে যোগ দেয়ার চাপ পড়ে। কিন্তু তিনি বাকশালে যোগ দেননি। ১৯৮৪ সালে সহযোগী অধ্যাপক হিসেবে পদোন্নতি পান। ১৯৮৭ সালের জানুয়ারিতে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের উপপরিচালক হিসেবে যোগ দেন এবং ডিসেম্বরে সরকারি সঙ্গীত মহাবিদ্যালয়ের উপাধ্যক্ষ নিযুক্ত হন। এরপর ১৯৯৪ সালে তিনি ঢাকা কলেজের অধ্যাপক হিসাবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। তিনি মফিজউদ্দিন শিক্ষা কমিশনের সদস্য ছিলেন।

তার লেখালেখিতে হাতেখড়ি হয় স্কুলে পড়াকালে৷ এ সময় কলকাতা থেকে প্রকাশিত ‘সত্যযুগ’ ও ‘আজাদ’ পত্রিকায় ছোটদের পাতায় তার লেখা ছাপা হতো। দশম শ্রেণীতে পড়ার সময় ‘সওগাত’-এ প্রথম ছোটগল্প ছাপা হয়। ১৯৬৪ সালের দিকে তিনি সাহিত্য বিষয়ক পত্রিকা ‘স্বাক্ষর’-এর সঙ্গে জড়িত ছিলেন। এ বছরই আব্দুল্লাহ আবু সায়ীদ সম্পাদিত ‘সাম্প্রতিক ধারার গল্প’ নামক একটি গ্রন্থে ইলিয়াসের ‘স্বগত মৃত্যুর পটভূমি’ নামে একটি গল্প অন্তর্ভুক্ত হয়। ১৯৬৯ সালের মার্চ মাসে লিটল ম্যাগাজিন ‘আসন্ন’-তেশু ‘চিলেকোঠায়’ নামে তার একটি গল্প প্রকাশিত হয়। ১৯৭৫ সালে ‘চিলেকোঠায়’ নামে তাঁর প্রথম উপন্যাস ‘দৈনিক সংবাদ’-এর সাহিত্য পাতায় ধারাবাহিকভাবে ছাপা রু হয়। কিন্তু ওই সময় সরকার পরিবর্তন হওয়ায় সংবাদ কর্তৃপক্ষ উপন্যাসটি প্রকাশ বন্ধ করে দেয়।

১৯৭৬ সালে প্রকাশিত হয় ইলিয়াসের প্রথম গল্পগ্রন্থ ‘অন্য ঘরে অন্য স্বর’। ১৯৮১ সালের জানুয়ারিতে সাপ্তাহিক ‘রোববার’ পত্রিকায় ‘চিলেকোঠার সেপাই’ ধারাবাহিকভাবে ছাপা শুরু হয়। ১৯৮৬ সালের অক্টোবরে ‘ইউনিভার্সিটি প্রেস লিমিটেড’ হতে বই আকারে প্রকাশিত হয় প্রথম উপন্যাস ‘চিলেকোঠার সেপাই’। গল্পগ্রন্থ ‘দোজখের ওম’ প্রকাশিত হয় ১৯৮৯ সালে। ১৯৯৪ সালে ‘দৈনিক জনকন্ঠ’ সাহিত্যপাতায় ‘খোয়াবনামা’ উপন্যাসটি ধারাবাহিকভাবে ছাপা হতে শুরু হয়। যদিও পুরো উপন্যাস প্রকাশিত হওয়ার আগে ‘জনকন্ঠ’ কর্তৃপক্ষ রাজনৈতিক কারণে ছাপা বন্ধ করে দেয়।

আটষট্টি-ঊনসত্তরের গণআন্দোলন একনিষ্ঠভাবে প্রত্যক্ষ করেছেন ইলিয়াস। প্রায় প্রতিটি রাজনৈতিক মিটিংয়ে তিনি ছিলেন মনোযোগী শ্রোতা। বিশেষত মওলানা ভাসানীর প্রায় প্রতিটি মিটিংয়ে উপস্থিত থাকতেন। ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে ইলিয়াস পরোক্ষভাবে জড়িত ছিলেন। তার লেখায় পরোক্ষ বা প্রত্যক্ষভাবে উঠে এসেছে মুক্তিযুদ্ধ ও যুদ্ধপরবর্তী রাজনৈতিক এবং সামাজিক বাস্তবতা।

প্রকাশিত বই-

উপন্যাস: চিলেকোঠার সেপাই (১৯৮৭) ও খোয়াবনামা (১৯৯৬)।

ছোট গল্প সঙ্কলন: অন্য ঘরে অন্য স্বর (১৯৭৬), খোঁয়ারি (১৯৮২), দুধভাতে উৎপাত (১৯৮৫), দোজখের ওম (১৯৮৯) ও জাল স্বপ্ন, স্বপ্নের জাল (১৯৯৭)।

প্রবন্ধ সংকলন: সংস্কৃতির ভাঙ্গা সেতু।

তিনি বিভিন্ন পুরস্কারে ভূষিত হয়েছেন। উল্লেখযোগ্য হলো- হুমায়ুন কবির স্মৃতি পুরস্কার (১৯৭৭), বাংলা একাডেমি পুরস্কার (১৯৮৩), আলাওল সাহিত্য পুরস্কার (১৯৮৭), আনন্দ পুরস্কার (১৯৯৬), সাদাত আলী আখন্দ পুরস্কার (১৯৯৬), কাজী মাহবুবুল্লাহ স্বর্ণপদক (১৯৯৬) ও একুশে পদক (মরণোত্তর) (১৯৯৯)।

আখতারুজ্জামান ইলিয়াস বিয়ে করেন ১৯৭৩ সালে। তার স্ত্রীর নাম সুরাইয়া। ডাকনাম তুতুল। স্ত্রী তুতুলও ছিলেন পেশায় একজন শিক্ষিকা। ১৯৭৪ সালে জন্ম নেয় তাদের একমাত্র সন্তান আন্দালিব। বাংলাদেশের অন্যতম গদ্য লেখক আখতারুজ্জামান ইলিয়াস ১৯৯৭ সালের ৪ জানুয়ারি মৃত্যুবরণ করেন।

আরও পড়ুন :

টি এস এলিয়টের সাক্ষাৎকার ‘কবিতার শিল্পরূপ’।

লেখকদের লেখক আখতারুজ্জামান ইলিয়াস।

Facebook Comments
share on:
পার্থিব রাশেদ

পার্থিব রাশেদ

সম্পাদক ও প্রকাশক, সংস্কৃতি ডটকম। পার্থিব রাশেদের জন্ম ১৯৮৭ সালের ১ সেপ্টেম্বর সিরাজগঞ্জে। বর্তমানে তিনি বিজ্ঞাপনচিত্র ও চলচ্চিত্র নির্মাতা হিসেবে কাজ করছেন। তার প্রকাশিত বই - তিতাস একটি নদীর নাম : চিত্রনাট্য, তিতাস একটি নদীর নাম : চিত্রনাট্য ও অন্যান্য প্রসঙ্গ ( সহ সম্পাদনা)।