সেলিম আল দীন ও তার নাট্যভাবনা

share on:
সেলিম আল দীন

সেলিম আল দীন বাংলা নাটকের শেকড় সন্ধান করেছেন, বাঙালির ইতিহাস-ঐতিহ্য আর সংস্কৃতির ভেতর। সমকালীন সাহিত্যে, বিশেষত নাটকে তাঁর পাণ্ডিত্য, জীবনবোধের গভীরতা, আঙ্গিক সচেতনতা সর্বোপরি নাট্য-নিরীক্ষা ঈর্ষণীয়।

নাট্যকার সেলিম আল দীন শুরু থেকেই পাশ্চাত্য নাট্য-প্রকরণ ত্যাগ করে বাঙালির নিজস্ব নাট্য-কৌশল অবলম্বনে প্রয়াসী হয়েছেন। তিনি বাঙালি জাতিকে তার সমৃদ্ধ সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের কথা স্মরণ করিয়ে দিয়েছেন। তিনি প্রাচ্যের সাংস্কৃতিক সমৃদ্ধ ঐতিহ্যের প্রতি আস্থাশীল ছিলেন এবং বিশ্বাস করতেন বাঙালির নিজস্ব জীবনের গাথাই নাটকের নবতর নির্মাণে সহায়ক হতে পারে। তিনি তাঁর বিশ্বাসকে শক্তিতে রূপান্তরিত করেছেন। সেলিম আল দীন দেশীয় ঐতিহ্যের শেকড়ের সন্ধানে আগ্রহী ছিলেন।

তিনি  সমগ্র নাট্য-জীবনব্যাপী সচেষ্ট ছিলেন- বাংলা নাটকে বাঙালি উপাদান ব্যবহার করে বাঙালিয়ানার প্রকাশ করতে। প্রথম-পর্বের অল্প কয়েকটি নাটকে তিনি সম্পূর্ণ ইউরোপীয় নাট্য-প্রভাব কাটিয়ে উঠতে না পারলেও দ্বিতীয় পর্বের নাটকে সাফল্য অর্জন করেছেন। একথা সত্য যে, সেলিম আল দীন-এর নাট্য-প্রতিভার প্রকৃত পরিচয় এই দ্বিতীয় পর্বের নাটক থেকেই শুরু হয়েছিল। এ পর্বেই সেলিম আল দীন নাটকে নিয়ে আসেন বাঙালির জীবন, ইতিহাস, ঐতিহ্য, সংস্কৃতি প্রভৃতির স্বাদ-গন্ধ; উপরন্তু এ সময় থেকে তাঁর নাট্য-পরিবেশনাতে ছিল ভিন্নতা; যে উপস্থাপন কৌশলে ছিল বাঙালিয়ানার ছাপ।

স্বাধীন বাংলাদেশের নাট্যচর্চায় সেলিম আল দীন ঐতিহ্যবাহী নাট্য-আঙ্গিকের নানা শৈলীকে নতুনরূপে সৃষ্টি করেন। সেলিম আল দীন স্বীয় নাটকে ঔপনিবেশিক নাট্য-শৃঙ্খলার বিপরীতে দেশজ-নাট্যরীতির নবরূপ নির্মাণের মাধ্যমে উন্মোচন করেন আধুনিক বাংলা নাট্যের রূপ। এটি তিনি প্রমাণ করেছেন যে বাংলা ভাষায় লিখিত হলেই বাংলা নাটক হয় না; বরং হাজার বছর ধরে বাঙালির নাট্য-নন্দন ভাবনার কাঠামোর স্বতন্ত্র ও স্বকীয় ব্যবহারেই বাংলা নাটকের গড়ন-গঠন বিকশিত হওয়া প্রয়োজন। আর বাঙালির জীবনে প্রাচীনকাল থেকে পরিবাহিত হয়ে চলা কথা-নৃত্য-গীতের অপ্রয়াস যাতায়াতের মধ্য দিয়েই বিকশিত হয় বাংলা নাটক।

সংস্কৃতি ডটকম

আধুনিক বাংলা নাটকের বিকাশ-পরিক্রমায় ঐতিহ্যবাহী বাংলা নাট্যের উপাদানগুলোর মধ্যে কথা-নৃত্য-গীতের বহুমাত্রিক ব্যবহার করেন সেলিম আল দীন। তাঁর নাটকের বর্ণনা, সংলাপ প্রভৃতির মধ্যেও ঐতিহ্যবাহী নাট্যের ‘গীতলতা’, ‘গীতময়তা’ ও ‘কাব্যময়তা’র অপরিহার্য সংযোগ বিদ্যমান। এসব কারণেই তিনি যেমন ঐতিহ্যিক বাংলা নাটকের বিনির্মাণে স্বতন্ত্র ভূমিকায় অবতীর্ণ হন, একই সঙ্গে বাঙালির দ্বৈতাদ্বৈত শিল্পরীতির বিস্তৃত ভূমিও নব আলোয় আলোকিত হয়। স্বতন্ত্র শিল্পতত্ত্ব হিসেবে প্রতিষ্ঠা পায় ‘দ্বৈতাদ্বৈতবাদ’।

দ্বৈতাদ্বৈতবাদের প্রকৃত ব্যাখ্যায় যদি যাই তাহলে দেখি বিষয়টি তিনি ব্যাখ্যা করেন এভাবে : ‘গ্রিক রিচুয়াল থেকে যদি গ্রিক ট্র্যাজেডির জন্ম হতে পারে এবং তা নিয়ে উত্তরকালে শিল্পতত্ত্ব রচিত হয়, তবে প্রাচ্যেও ধর্মতত্ত্ব থেকে কেন শিল্পতত্ত্ব অনুসৃত হবে না বা হতে বাধা কোথায়? তুরস্ক, ইরাক, ইরানের সুফি তত্ত্বের ধারায় বাংলায় চৈতন্যদেব ‘অচিন্ত্য দ্বৈতাদ্বৈতবাদ’ নামে যে বৈষ্ণব ধর্মতত্ত্বের প্রচলন করেন, আমি তাকেই আধুনিক কালের করে তুলেছি।…বস্তুতপক্ষে দ্বৈতাদ্বৈতবাদী শিল্পতত্ত্বের আবিষ্কারের পরে বা ওই শিল্পতত্ত্বের প্রতি প্রগাঢ় বিশ্বাস জন্মানোর ফলে আমি চলতি অর্থে নাটক লিখি না। আমার লেখাগুলো ঐতিহ্যবাহী বাংলা পাঁচালি ও কথকতার ধারায় সমকালীন প্রয়াস।’

গদ্য-পদ্যের বিভাজন স্বীকার করতেন না সেলিম আল দীন। নিজের রচনাকে দাবি করতেন ‘ননজেনরিক’ বলে। এ প্রসঙ্গে তিনি বলেছেন, ‘আমি সব সময় চেয়েছি আমার লেখা নাটকগুলো নাটকের বন্ধন ভেঙে অন্যসব শিল্পতীর্থগামী হোক। কারণ শিল্পে আমি দ্বৈতাদ্বৈতবাদী।’

সেলিম আল দীন দ্বৈতাদ্বৈতবাদে বিশ্বাসী হলেও পরে তিনি নিজস্ব এক নাট্যরীতির উদ্ভাবন করেন যার নাম ‘ফোররিয়ালিজম’ বা ‘সম্মুখবাস্তববাদ’।

সেলিম আল দীন নাটক রচনায় বিশেষ রচনাকৌশল অবলম্বন করেছিলেন। বাংলা নাটকে নবতর প্রকরণ ব্যবহার প্রসঙ্গে তিনি নিজে লিখেছেন :

‘আমার কাছে সব সময় মনে হয়েছে বাংলা কবিতার চেয়ে নাটকের যে দীনতা, উপন্যাসের চেয়ে নাটকের যে সীমাবদ্ধতা সেটাকে ঘোচাতে হবে। সেটা ঘোচাতে যদি যাই তাহলে আমাকে নতুন ভূমি, নতুন মানুষ, নতুন শিল্প দর্শন আবিষ্কার করতে হবে। এই ভূমি আবিষ্কার করতে গিয়ে আমার কাছে প্রচলিত কাঠামোগুলোকে কঠোরভাবে বর্জন করতে হয়েছে। ফলে আমার লেখা পড়ে হুট করে নাটক মনে হয় না। কিন্তু এটাও তো সত্য যে, মূলত আমি নাটকই লিখতে চেয়েছি।’

বাংলাদেশের নাট্যসাহিত্যে সেলিম আল দীন নাটকের বিষয়-প্রেক্ষাপট নির্বাচনে যেমন নতুনত্বের পরিচয় দিয়েছেন, তেমনি নাট্যঘটনা উপস্থাপনেও অভিনব রীতি-পদ্ধতি ব্যবহার করেছেন। সেলিম আল দীনের নাটকে সাধারণত থাকে মহাকাব্যিক ব্যাপ্তি এবং বাংলার গ্রামীণ জনপদের মানুষ, তাদের সামাজিক-সংস্কৃতিক পরিমণ্ডলের আবহমান চিত্র।

নাটক রচনার ক্ষেত্রে তিনি বিশ্বাস করতেন বাঙালি জীবন এবং সামাজিক রীতিনীতি এবং সংস্কৃতির মধ্যেই নাট্যোপাদান রয়েছে। তিনি এক সাক্ষাৎকারে সেকথা স্পষ্ট জানিয়েছেন :

‘আমাদের নাগরিক জীবনের অনুষঙ্গ তো পাশ্চাত্যের অপঘাতের আলো। এটাকে অবলম্বন করে যদি শিল্পচর্চা করি তাহলে সেটা নিশ্চিতভাবেই ভুল দিকে ধাবিত হবে। কারণ, ইউরোপে রিয়েলিজম-কিউবিজম ছাড়া আর কোনো আন্দোলন পজিটিভ কিছুর জন্ম দেয়নি। এক্সপ্রেশিনিজম, ইম্প্রেশানিজম, দাদাইজম—ক্ষয়িষ্ণু সমাজ থেকে উঠে আসা এইসব শিল্পতত্ত্ব আমাদেরকে যেন গ্রাস না করে।’

সেলিম আল দীন প্রবর্তিত এই নাট্যকৌশল বাংলাদেশে স্বতন্ত্র ধারার নাট্য-আন্দোলনেরও সূচনা করে। তাই দেখা যায়, বিংশ শতাব্দীর আশির দশক থেকে বর্তমান সময় পর্যন্ত বাংলাদেশে দুই ধারার নাট্যচর্চা প্রবহমান। যার একদিকে ঔপনিবেশিক ও বিদেশি নাট্য-শৃঙ্খলার চর্চা প্রচলিত। অন্যদিকে সেলিম আল দীনের চর্চিত আধুনিক বাংলা নাট্যধারার চর্চাও বিদ্যমান। ফলে সেলিম আল দীন প্রবর্তিত আধুনিক বাংলা নাটকের চর্চায় তরুণ নাট্যকারেরাও নাট্যচর্চায় লিপ্ত আছেন।

বস্তুত কথা-নৃত্য-গীতের ত্রয়ী বন্ধনে বাংলা নাটকের আধুনিক রূপের কথানাট্য, আখ্যান, নব্য পাঁচালি প্রভৃতি অভিধায় স্বীকৃত নাট্যের চর্চা বর্তমান বাংলাদেশের নাট্য আন্দোলনে বিশেষ নান্দনিক শৃঙ্খলা হিসেবেই প্রবহমান।

সেলিম আল দীন ১৯৪৯ সালের ১৮ আগস্ট ফেনীর সোনাগাজীর সেনেরখিল গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন৷ মফিজউদ্দিন আহমেদ ও ফিরোজা খাতুনের তৃতীয় সন্তান তিনি৷

বাবার চাকরির সূত্রে ফেনী, চট্টগ্রাম, সিলেট, ব্রাহ্মণবাড়িয়া ও রংপুরের বিভিন্ন স্কুলে পড়াশোনা করেন তিনি৷ ১৯৬৪ সালে ফেনীর সেনেরখিলের মঙ্গলকান্দি মাধ্যমিক বিদ্যালয় থেকে এসএসসি পাস করেন৷ ১৯৬৬ সালে ফেনী কলেজ থেকে এইচএসসি পাস করেন৷ ১৯৬৭ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগে ভর্তি হন৷ দ্বিতীয় বর্ষে পড়াকালে ভর্তি হন টাঙ্গাইলের করোটিয়ায় সাদত কলেজে৷ সেখান থেকে বিএ পাসের পর ১৯৭৩ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগ থেকে এমএ ডিগ্রি লাভ করেন৷ ১৯৯৫ সালে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় থেকে মধ্যযুগের বাংলা নাট্যরীতি নিয়ে গবেষণা করে পিএইচডি ডিগ্রি লাভ করেন৷

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে বাংলা বিভাগে ভর্তি হওয়ার পর লেখক হওয়ার সিদ্ধান্ত নেন সেলিম আল দীন। ১৯৬৮ সালে কবি আহসান হাবিব সম্পাদিত দৈনিক পাকিস্তানে তার প্রথম প্রবন্ধ ছাপা হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় যুক্ত হন ঢাকা থিয়েটারের সঙ্গে। পড়াশোনা শেষে কপি রাইটার হিসেবে বিজ্ঞাপনী সংস্থা বিটপীতে যোগ দেন। ১৯৭৪ সালে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগে প্রভাষক হিসাবে যোগ দেন। আমৃত্যু সেখানে কর্মরত ছিলেন।

তার হাত ধরে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের নাটক ও নাট্যতত্ত্ব বিভাগের প্রতিষ্ঠা হয়। ঢাকা থিয়েটারের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য সেলিম আল দীন ১৯৮১-৮২ সালে নাট্য নির্দেশক নাসির উদ্দিন ইউসুফকে নিয়ে গড়ে তোলেন গ্রাম থিয়েটার। তার অধিকাংশ নাটক মঞ্চায়ন করে ঢাকা থিয়েটার। ১৯৯৯ সালের শেষের দিকে গড়ে তোলেন গানের দল ‘কহনকথা’।

রেডিওতে তার প্রথম নাটক ‘বিপরীত তমসায়’ (১৯৬৯)। টেলিভিশনে তার প্রথম নাটক ‘ঘুম নেই’(১৯৭০)। বিশ্ববিদ্যালয় এমএ পড়াকালে তার নাটক ‘এক্সপ্লোসিভ ও মূল সমস্যা’ প্রথম মঞ্চায়িত হয়।

তার উল্লেখযোগ্য নাটকের মধ্যে রয়েছে-জন্ডিস ও বিবিধ বেলুন (১৯৭৫), বাসন (১৯৮৫), মুনতাসির, শকুন্তলা, কীত্তনখোলা (১৯৮৬), কেরামতমঙ্গল (১৯৮৮), যৈবতী কন্যার মন (১৯৯৩), চাকা (১৯৯১), হরগজ (১৯৯২), প্রাচ্য (২০০০), হাতহদাই (১৯৯৭), নিমজ্জন (২০০২), ধাবমান, স্বর্ণবোয়াল (২০০৭) ও পুত্র। গীতিনৃত্যনাট্যের মধ্যে রয়েছে- স্বপ্ন রজনীগণ ও ঊষা উৎসব। টেলিভিশনের জন্য লিখেছেন ঘুম নেই (১৯৭০), অশ্রুত গান্ধার (১৯৭৫), শেকড় কাঁদে জলকণার জন্য (১৯৭৭), ভাঙনের শব্দ শুনি (১৯৮২-৮৩), গ্রন্থিকগণ কহে (১৯৯০-৯১), ছায়া শিকারী (১৯৯৪-৯৫), রঙের মানুষ (২০০০-২০০৩) ও নকশীপাড়ের মানুষেরা (২০০০)। রেডিওয়ের জন্য লিখেছেন- বিপরীত তমসায় (১৯৬৯), রক্তের আঙ্গুরলতা ও কীত্তনখোলা (১৯৮৫)। গবেষণাধর্মী কাজের মধ্যে রয়েছে- মহুয়া (১৯৯০), দেওয়ানা মদিনা (১৯৯২), একটি মারমা রূপকথা (১৯৯৩), কাঁদো নদী কাঁদো ও মেঘনাদ বধ (অভিষেক নামপর্ব)। চিত্রনাট্যের মধ্যে রয়েছে- চাকা (১৯৯৪), কীত্তনখোলা (২০০০) ও একাত্তরের যীশু (সংলাপ, ১৯৯৪)। অন্যান্য রচনার মধ্যে রয়েছে দিনলিপি ও ভাঙা প্রেম অশেষ বিশেষ। তিনি বেশ কিছু গানও রচনা করেছেন। এ ছাড়া গবেষক ও নাট্যকার সাইমন জাকারিয়ায় সম্পাদনায় ছয় খণ্ডে তার রচনাসমগ্র প্রকাশিত হয়েছে।

বাংলা ভাষার একমাত্র নাট্যবিষয়ক কোষগ্রন্থ ‘বাংলা নাট্যকোষ’ সংগ্রহ, সঙ্কলন, প্রণয়ন ও সম্পাদনা করেছেন তিনি। তার রচিত ‘হরগজ’ নাটকটি সুয়েডীয় ভাষায় অনূদিত হয়েছে এবং এ নাটকটি ভারতের রঙ্গকর্মী নাট্যদল হিন্দি ভাষায় মঞ্চায়ন করেছে।

তিনি অনেক পুরস্কার ও সম্মাননায় ভূষিত হয়েছেন তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল- বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার (১৯৮৪), ঋষিজের সংবর্ধনা (১৯৮৫), কথক সাহিত্য পুরস্কার (১৩৯০ বঙ্গাব্দ), একুশে পদক (২০০৭), জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার (১৯৯৩), আকাদেমি মঞ্চ কলকাতা (১৯৯৪), শ্রেষ্ঠ টেলিভিশন নাট্যকার (১৯৯৪), খালেকদাদ সাহিত্য পুরস্কার, জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার (১৯৯৪)ও মুনীর চৌধুরী সম্মাননা (২০০৫)।

নাট্যকার, গবেষক ও শিক্ষক সেলিম আল দীন ২০০৮ সালের ১৪ জানুয়ারি ঢাকায় মৃত্যুবরণ করেন।

আরও পড়ুন : মানবসমাজ, আমাদের ঐতিহ্য, ছবি করা ও আমার প্রচেষ্টা – ঋত্বিক ঘটক

Facebook Comments