মৃণাল সেনের চলচ্চিত্র

share on:
মৃণাল সেনের সাক্ষাৎকার

মৃণাল সেনের চলচ্চিত্র সাম্প্রতিক সময়ের অনেক চলচ্চিত্রপ্রেমীদের কাছে প্রেরণার উৎস। কয়েক দশক ধরে মৃণাল সেন ভারতের সিনেমার প্রচলিত ধারণার বাইরে দাঁড়িয়ে সমাজবাস্তবতা ও রাজনৈতিক সিনেমা তৈরি চেষ্টা করে গেছেন।

রাজনীতি আমাদের জীবনের অন্যতম প্রধান নিয়ামক হলেও ভারতীয় উপমহাদেশের লেখক- চলচ্চিত্র নির্মাতারা সবসময়ই শিল্পচর্চায় রাজনীতিক বিষয় থেকে নিরাপদ দূরত্বে থেকেছেন। এমনকি ভারতীয় উপমহাদেশের সবচেয়ে আন্তর্জাতিকভাবে পরিচিত নির্মাতা সত্যজিৎ রায়ও তার সিনেমায় ভারতকে দেখেছেন শৈল্পিক চোখ দিয়ে – তৎকালীন সময়ের সমাজ বাস্তবতার পরিবর্তে প্রাকৃতিক সৌন্দর্য্য তুলে ধরার দিকেই তার নজর ছিলো বেশি।

সত্যজিত রায় সিনেমায় তৎকালীন ভারতের ক্রমবর্ধমান দারিদ্রতা, অর্থনৈতিক শোষণ ও রাজনৈতিক দমনের বিষয়টি সচেতনভাবেই এড়িয়ে চলেছেন। মৃণাল সেন এর বাইরে। তার শিল্পচেতনার পুরোটা জুড়েই ছিলো সমাজচেতনা ও রাজনৈতিক সচেতনতা। মৃণালই প্রথম এই সমস্যাগুলোকে নন-রোমান্টিকভাবে ইন্ডিয়ান দর্শকদের সামনে তুলে ধরলেন এবং এ বিষয়ে ভাবতে বাধ্য করলেন।

আর এজন্য তাকে সইতে হয়েছে- প্রযোজকের অভাব, ডিস্ট্রিবিউটরদের তুমুল অনীহা এবং সবচেয়ে বেশি সেন্সর বোর্ডের নিয়ন্ত্রণের শিকার। কিন্তু সবকিছুকেই তিনি উৎরে গেছেন দৃঢ়তার সাথে এবং একমাত্র সমসাময়িক রাজনৈতিক নির্মাতা হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠা করেছেন, যার তুমুল উপস্থিতি আমরা পাই – কলকাতা ৭১, পদাতিক ও কোরাস সিনেমাত্রয়ীতে।

আবার অনেকেই মৃণালকে খুব বেশি উচ্চ দৃষ্টিতে দেখেন না। অনেক সমালোচকের মতে, মৃণাল সেন সুবিধাবাদী, তিনি এমন একজন নির্মাতা যিনি রাজনীতি নিয়ে সিনেমা বানান কিন্তু রাজনৈতিক সিনেমা বানান না। তাদের মতে, তিনি বৈপ্লবিক সিনেমা বা ভিত্তিগত সিনেমা বানাতে চান নি, বরং এই বিষয়ের সিনেমা বানিয়ে তিনি নির্মাতা হিসেবে আলোচনায় থাকতে চেয়েছেন। এ বিষয়ে তাদের যুক্তি হলো, তিনি কিভাবে একই সাথে সরকারের সমালোচনা করে সিনেমা বানান আবার সরকারের কাছ থেকে অনুদান নিয়েও সিনেমা বানান?

সব সমালোচনাকে অগ্রাহ্য করে, মৃণাল সেন প্রচন্ড প্রতিকূলতাকে জয় করে তার সিনেমা বানিয়ে গেছেন। নিঃসন্দেহে তিনি এক অর্থে টিকে থাকা কমার্শিয়াল নির্মাতা, যিনি জানেন বিদ্যমান সময়ে দাঁড়িয়ে টেকসই বিকল্প কি হতে পারে, তিনি জানেন কিভাবে নতুন পথ আবিষ্কার করা যায়। টাকার হাতছানি ও ছকবাঁধা রাস্তায় না হেটে জীবনধারণ করাটাও একটা বিপ্লব বৈকি। এজন্যই হয়তো মৃণালের কোনও কোনও সিনেমা ঠিক মৃণালের সিনেমা মনে হয় না।

ইতালিয়ান নিউ রিয়েলিজম ও ফ্রেন্স নিউ ওয়েভ থেকে অনেক কিছু তিনি নিয়েছেন নতুন একটি ধারা তৈরি করতে। তিনি ভারতীয় সিনেমাকে নির্মল বিনোদনের যায়গা থেকে বের করে এমন একটি মাধ্যম হিসেবে প্রতিষ্ঠা করতে চেয়েছেন যাতে আপামর জণগণ তার চারপাশের সমস্যাকে বুঝতে পারে এবং সচেতন হতে পারে।

মৃণাল সেনের প্রথম সিনেমা ‘রাতভোর’ মুক্তি পায় ১৯৫৫ সালে। তবে এ চলচ্চিত্রটি কোনো দিক দিয়েই সাড়া ফেলতে পারেনি। তাকে প্রথম পরিচিতি এনে দেয় ‘নীল আকাশের নীচে’ দিয়ে।  স্বাধীন ভারতে এটাই প্রথম চলচ্চিত্র যা নিষিদ্ধ হয়েছিল। তৃতীয় চলচ্চিত্র ‘বাইশে শ্রাবণ’ দিয়ে তিনি আন্তর্জাতিক পরিচিতি পান।

তবে মৃণাল সেনকে সম্পূর্ণ আলাদাভাবে অর্থাৎ আজকের মৃণাল সেনকে চেনা যায় ১৯৬৯ সালে নির্মিত ‘ভুবনসোম’ দিয়ে। ভুবন সোম একজন সৎ ইন্ডিয়ান আমলার গল্প, যার বেড়ে ওঠা উন্নত বৃটিশ ঐতিহ্যের ভেতর দিয়ে। যিনি কঠোর নিয়ম মেনে চলেন এবং কোনোভাবেই নিয়ম থেকে সামান্য চ্যূত হন না। কিন্তু সিনেমার শেষে তিনি দূর্নীতিগ্রস্থ হন। মূলত এ সিনেমার মাধ্যমে উপনিবেশোত্তর আমলাতান্ত্রিক দাম্ভিকতাকে তুমুল বিদ্রুপ করেছেন মৃণাল। ভুবন সোম ভারতের ইতিহাসে প্রথম দিককার একটি বিদ্রুপাত্ত্বক চলচ্চিত্র যেখানে আমলাতন্ত্রকে আঘাত করা হয়েছে এবং মৃণাল তা করেছেন খুব পারঙ্গমতার সাথে।

ভুবন সোমের পরে মৃণাল নির্মাণ করেন তিনটি চলচ্চিত্র- কলকাতা ৭১, পদাতিক ও ইন্টারভিউ, যা কলকাতাত্রয়ী হিসেবে পরিচিত। এই তিনটি সিনেমায় তিনি তৎকালীন কলকাতার অস্থির সময়ের চিত্র তুলে ধরেন। এই তিনটি চলচ্চিত্রের মাধ্যমে মৃণাল আমাদের উপনিবেশোত্তর এমন একটি বিকৃত সমাজ ও রাষ্ট্রের মুখোমুখি দাঁড় করান যা ধারণ করে অমানবিকতা, শোষণ ও শ্রেণী বৈষম্য। যার ফল হিসেবে অবধারিতভাবে নেমে আসে ব্যক্তি ও সামাজিক অবক্ষয়, দারিদ্র ও চরম দূর্নীতি।

ইন্টারভিউ কলকাতাত্রয়ীর প্রথম চলচ্চিত্র। এই সিনেমার একজন শিক্ষিত সুপুরুষ যুবকের। যে একটি প্রেসে জব করে। তাদের একজন পারিবারিক বন্ধু তাকে একটা বিলেতি কোম্পানীতে চাকরী পাইয়ে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেয়। কিন্তু চাকরীর ইন্টারভিউয়ে বিলেতি কায়দায় কোট-টাই-প্যান্ট পড়ে যেতে হবে। সেই অনুয়ায়ি যুবকটি অনেক কষ্টে পোষাক যোগার করলেও তা হারিয়ে যায় এবং বাঙালি পোষাক পড়ে ইন্টারভিউয়ে যায়। ফলে চাকরী আর হয় না। এই সিনেমার মাধ্যমে মৃণাল খুব আস্তে কিন্তু ব্যঙ্গাত্বকভাবে কলোনিয়াল মনোভাব ও নিয়মকে তুলে ধরে যাকে স্বাধীনতার পরেও ভারতে প্রবৃদ্ধি ও উন্নয়নের প্রধান শর্ত হিসেবে মেনে চলা হচ্ছে।

কলকাতা ৭১ সম্পূর্ণ আলাদা ধারার গল্প। যেখানে চলচ্চিত্রের গল্প এগিয়ে যায় ৪টি আলাদা গল্পের মধ্য দিয়ে। এই চারটি গল্পের মধ্য দিয়ে তিনি ৭১ সালে কলকাতার অর্থনৈতিক ও সামাজিক শোষণের বিষয়টি তুলে ধরেন। সত্যজিৎ যেখানে দারিদ্রতাকে দেখেছেন মানুষের বিষাদময় মানবিক বিপর্যয় হিসেবে, সেখানে মৃণাল দারিদ্রতা বিষয়ে অনেক কঠোর ও বাস্তবতাবাদী- তিনি দারিদ্রতাকে দেখেন শোষণ ও মানুষের প্রতি মানুষের অমানবিকতা হিসেবে। এই সিনেমায় তিনি এ বিষয়টিই দেখাতে চেয়েছেন।

পদাতিক চলচ্চিত্রে তিনি কলকাতার রাজনৈতিক দলগুলোর চরিত্র তুলে ধরেছেন। একজন রাজনৈতিক কর্মী যে ক্রমাগত তার নেতার কথায় নৈতিকতা বিরুদ্ধ কাজ করে যায়। কিন্তু একসময় সে তার ভুল বুঝতে পারে এবং প্রতিবাদী হয়ে ওঠে।

এ সিনেমাগুলোর গল্প বলার ক্ষেত্রেও মৃণাল প্রচলিত একরৈখিক পথে হাটেননি। বিষয়ের বৈচিত্রের সঙ্গে সঙ্গে তিনি ভাঙতে চেয়েছেন প্রথাগত প্রকরণকেও। তার সিনেমায় হয়ে ওঠে বক্তব্যই প্রধান চরিত্র, দারিদ্রতা যেখানে ভিলেন আর সিনেমা এগিয়ে যায় বঞ্চিতদের বেঁচে থাকার সংগ্রাম ও দ্বন্দের ভেতর দিয়ে।

অলিগলির সংকীৰ্ণ পরিসর এবং রাস্তাঘাটে দেওয়ালে রাজনৈতিক স্লোগান, মৃণাল সেনের বরাবরের পছন্দের দৃশ্যকল্প। এই দুটির একটিও খুঁজে পাওয়া যাবে না, মৃণাল সেনের চিত্রপঞ্জিতে এমন ছবি নেই বললেই চলে। রাস্তা হয়তো নয় সংকীর্ণতম, তবু যেন দমবন্ধ হয়ে যাওয়ার উপক্রম। যেন দৈনন্দিন গতানুগতিকতা আর বেঁচে থাকার লড়াইয়ের প্রতীক। তাছাড়া রাজনৈতিক মিছিল এবং উত্তপ্ত স্লোগান মৃণাল সেনের অধিকাংশ ছবির বুনিয়াদ তৈরি করে দিয়েছে।

একদিকে জীবনসংগ্রামে বিক্ষত একাকী মানুষ, আর বিপ্রতীপে উদ্ধত আকাশচুম্বী স্থাপত্য।মৃণাল সেনের অন্যতম প্রিয় চিত্রকল্প। যে কারণে কলকাতার শহীদ মিনারের প্রবল উপস্থিতি তাঁর একাধিক ছবিতে।

একদিন প্রতিদিন ও খারিজ – সিনেমার মাধ্যমে মৃণাল আবার ফিরে এলেন মধ্যবিত্ত সমাজের বাস্তবতা ও নীতিবোধের কাছে। বাঙালি মধ্যবিত্তের ঠুনকো মূল্যবোধ ও আত্মসম্মানবোধকে আঘাত করলেন তিনি এ সিনেমা দুটির মাধ্যমে। মৃণাল সবসময় মধ্যবিত্ত শ্রেণীকে এই ঠুনকো নীতিবোধের থেকে বের করে আনার চেষ্টা করেছেন এবং সমাজ পরিবর্তনে তাদের অঙ্গীকারাবদ্ধ হতে আহ্বান করেছেন। শ্রেণীবৈষম্য ও শোষণের বিরুদ্ধে সংগ্রামে অংশগ্রহণের জন্য উদ্বুদ্ধ করেছেন। ‘খারিজ’ ১৯৮৩ সালের কান আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে বিশেষ জুরি পুরস্কার পেয়েছিল।

১৯৮০ সালের চলচ্চিত্র ‘আকালের সন্ধানে’। এ ছবিতে দেখান হয়েছিল একটি চলচ্চিত্র কলাকুশলী দলের একটি গ্রামে গিয়ে ১৯৪৩ সালের দুর্ভিক্ষের ওপর চলচ্চিত্র তৈরির গল্প। কিভাবে ১৯৪৩-এর দুর্ভিক্ষের কাল্পনিক কাহিনী মিলেমিশে একাকার হয়ে যায় সেই গ্রামের সাধারণ মানুষদের সঙ্গে- সেটাই ছিল এ চলচ্চিত্রের সারমর্ম। ‘আকালের সন্ধানে’ ১৯৮১ সালের বার্লিন আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে বিশেষ জুরি পুরস্কার হিসেবে রুপার ভালুক জয় করে।

১৯৮৯ সালে ‍নির্মিত একদিন আচানক এ এমন একজন অধ্যাপকের গল্প তুলে ধরা হয়েছে যিনি এক বৃষ্টির দিনে ঘর থেকে বেরিয়ে আর ফিরে আসেননি। ‘একদিন আচানক’-এ নিরুদ্দেশ হওয়া অধ্যাপকের মেয়েটি বলে, ‘বাবা বুঝতে পেরেছিল বাবা খুব সাধারণ। আর সাধারণ হিসেবে সারা জীবন কাটানো খুব কষ্টকর। বাবা আর ফিরবে না।’ মধ্যবিত্তশ্রেণীর ঠুনকো আত্মঅহংবোধের প্রতি এর চেয়ে তীব্র আঘাত আর কি হতে পারে!

মৃণাল সেনের পরবর্তীকালের ছবির মধ্যে উল্লেখযোগ্য ‘মহাপৃথিবী’ (১৯৯২) এবং ‘অন্তরীণ’ (১৯৯৪)। তবে ঠিক রাজনৈতিক নয়, ‘মহাপৃথিবী’ চলচ্চিত্রের বিষয় মহাকাল। সোভিয়েত ইউনিয়ন ভেঙে পড়ছে, বদলে যাচ্ছে পূর্ব ইউরোপ। এই সিনেমায় মূর্ত হয়ে ওঠে শোষণহীন সমাজের স্বপ্ন দেখা কয়েকটি প্রজন্মের অভিমান ও জিজ্ঞাসা।  তার শেষ ছবি ‘আমার ভুবন’ মুক্তি পায় ২০০২ সালে।

তার পরিচালিত অন্য ছবিগুলোর মধ্যে রয়েছে ‘পুনশ্চ’ (১৯৬১), ‘অবশেষে’ (১৯৬৩), ‘প্রতিনিধি’ (১৯৬৪), ‘আকাশ কুসুম’ (১৯৬৫), ‘এক আধুরি কাহানী’ (১৯৭১), ‘কোরাস’ (১৯৭৪), ‘মৃগয়া’ (১৯৭৬), ‘পরশুরাম’ (১৯৭৮), ‘চালচিত্র’ (১৯৮১), ‘খান্ধার’ (১৯৮৩)।

মৃণাল সেন বাংলা ভাষা ছাড়াও হিন্দি, উড়িয়া ও তেলেগু ভাষায় চলচ্চিত্র নির্মাণ করেছেন। ১৯৬৬ সালে উড়িয়া ভাষায় নির্মাণ করেন ‘মাতিরা মানিশা’, যা কালীন্দিচরণ পাণিগ্রাহীর গল্প অবলম্বনে নির্মিত হয়। ১৯৬৯-এ বনফুলের কাহিনী অবলম্বনে হিন্দি ভাষায় নির্মাণ করে ‘ভুবন সোম’। ১৯৭৭ সালে প্রেম চন্দের গল্প অবলম্বনে তেলেগু ভাষায় নির্মাণ করেন ‘ওকা ওরি কথা’। ১৯৮৫ সালে নির্মাণ করেন ‘জেনেসিস’- যা হিন্দি, ফরাসি ও ইংরেজি তিনটি ভাষায় তৈরি হয়।

১৯৯৩ সালে বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ তাকে সম্মানসূচক ডিলিট পদকে ভূষিত করে। ১৯৯৬ ও ১৯৯৯ সালে যথাক্রমে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় ও রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয় তাকে একই সম্মান জানান। পদ্মভূষণ, দাদাসাহেব ফালকেসহ নানাবিধ পুরস্কার রয়েছে পরিচালক মৃণাল সেনের ঝুলিতে। ২০০০ সালে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্রাদিমির পুতিন তাকে গার্ড অব ফ্রেন্ডশিপ সম্মানে ভূষিত করেন।

মৃণাল সেন কেবল একজন চলচ্চিত্র নির্মাতাই নয়, তিনি তার চলচ্চিত্রের মাধ্যমে দর্শকদের ভেতরের বিবেকবোধকে জাগ্রত করতে চাইতেন, সমাজ, শোষণ ও বৈষম্য বিষয়ে সচেতন হওয়ার আহ্বান জানাতেন এবং প্রশ্নের মুখোমুখি দাঁড় করিয়ে দিতেন।

আরও পড়ুন : মৃণাল সেনের সাক্ষাৎকার

তানভীর মোকাম্মেলের লেখা

Facebook Comments
পার্থিব রাশেদ

পার্থিব রাশেদ

সম্পাদক ও প্রকাশক, সংস্কৃতি ডটকম। পার্থিব রাশেদের জন্ম ১৯৮৭ সালের ১ সেপ্টেম্বর সিরাজগঞ্জে। বর্তমানে তিনি বিজ্ঞাপনচিত্র ও চলচ্চিত্র নির্মাতা হিসেবে কাজ করছেন। তার প্রকাশিত বই - তিতাস একটি নদীর নাম : চিত্রনাট্য, তিতাস একটি নদীর নাম : চিত্রনাট্য ও অন্যান্য প্রসঙ্গ ( সহ সম্পাদনা)।