আর্নেস্ট হেমিংওয়ে : নোবেলজয়ী সাহিত্যিক

share on:
আর্নেস্ট হেমিংওয়ে

আর্নেস্ট হেমিংওয়ে বিশ শতকের গুরুত্বপূর্ণ দুটি উপন্যাস ‘দ্য ওল্ড ম্যান অ্যান্ড দ্য সি’ এবং ‘আ ফেয়ারওয়েল টু আর্মস’র রচয়িতা। তার নির্মেঘ ও নিরাবেগী ভাষা পরবর্তীতে অনেকের ওপর প্রভাব বিস্তার করে।

তিনি ১৯৫৪ সালে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার পান। পুলিৎজারসহ আরও বেশ কিছু পুরস্কার লাভ করেন। তার অনেকগুলো বই ক্লাসিক হিসেবে বিবেচিত।

মার্কিন সাহিত্যিক ও সাংবাদিক আর্নেস্ট মিলার হেমিংওয়ে ১৮৯৯ সালের ২১ জুলাই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ইলিনয় রাজ্যের ওক পার্কে জন্মগ্রহণ করেন।

ছয় ভাইবোনের মধ্যে তিনি ছিলেন দ্বিতীয়। দশ বছর বয়সেই হেমিংওয়ে বাবার সাথে শিকারে অংশগ্রহণ করা শুরু করেন। শিকার করতে গিয়ে তিনি একজন ভাল নিশানার অধিকারী বন্দুকবাজেও পরিণত হন। হেমিংওয়ে যখন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ভর্তি হন, তখন সংবাদপত্রের রিপোর্টার হিসেবে কর্মজীবনের সূচনা হয়। ১৭ বছর বয়সে তিনি ক্যানসাস সিটি স্টার পত্রিকায় যোগদান করেন। কিন্তু প্রথম বিশ্বযুদ্ধ শুরু হওয়ার পর আপাতত তার রিপোর্টারের কর্মজীবন অবসান হয়।

অনেকটা বাবার মতের বিরুদ্ধে তিনি প্রথম বিশ্বযুদ্ধে অংশগ্রহণের জন্য মার্কিন সেনাবাহিনীতে ভর্তি হন। কিন্তু ফোর্সে যোগদানের জন্য যে পরিমাণ শারীরিক ফিটনেসের প্রয়োজন তা না থাকায় তিনি সেনাবাহিনীর এম্বুলেন্স টিমে তালিকাভুক্ত হন এবং ড্রাইভার হিসেবে তার যুদ্ধজীবন শুরু হয়। দায়িত্ব পড়ে ইটালীর যুদ্ধ ফ্রন্টে। এই সময় যুদ্ধের ভয়াবহতা ও নিষ্ঠুরতা হেমিংওয়েকে গভীরভাবে আলোড়িত করে। যা তার সাহিত্য নির্মাণের বিভিন্ন পর্যায়ে যুদ্ধের ভয়াবহতার উল্লেখ করতে দেখা যায়।

১ম বিশ্বযুদ্ধ হেমিংওয়ের জীবনে ছিল এক ভয়াল অধ্যায়। একদিকে যেমন ধ্বংসকে কোনভাবেই তিনি মেনে নিতে পারছিলেন না, অন্যদিকে আহত সৈনিতদের অ্যাম্বুলেন্সে নিয়ে যাওয়ার সময় তাদের আহাজারি তার মনকে প্রায় বিপর্যস্তই করে ফেলতো। উপরন্তু গোলার আঘাতে ১৯১৮ সালের ৮ জুলাই ইটালীয়ান যুদ্ধ ফ্রন্টে তিনি ভয়ানকভাবে আহত হন। আর এর মাধ্যমেই তার যুদ্ধে এম্বুলেন্স ড্রাইভিং পেশার অবসান হয়। যদিও পরবর্তীতে যুদ্ধে বীরত্বপূর্ণ অবদানের জন্য ইটালিয়ান সরকার কর্তৃক তিনি সিলভার মেডেলে ভূষিত হন।

যুদ্ধ পরবর্তী হেমিংওয়ে ১৯১৯ সালে ইটালী থেকে ওক পার্কে পুনরায় ফিরে আসেন। বেশ কিছুকাল বন্ধুদের সাথে আড্ডা এবং মাছ ধরার সাথে যুক্ত থাকার মাধ্যমে যুদ্ধের ভয়ানক ডিপ্রেশন কাটানোর চেষ্টা করেন । পরবর্তীতে তিনি ওক পার্ক থেকে কানাডার টরেন্টোতে কিছুদিনের জন্য গমন করেন এবং টরেন্টো স্টারে পুনরায় সাংবাদিকতাকে পেশা হিসেবে নিয়ে কর্মজীবন শুরু করেন। টরেন্টো স্টারে প্রাথমিকভাবে ফ্রি ল্যান্স সাংবাদিক হিসেবে যোগদান করলেও পরে তিনি স্টাফ রিপোর্টার হিসেবে চাকরি শুরু করেন।

এ সময় তার কানাডীয় বেশ কিছু সাহিত্যিকের সাথে পরিচয় হয়। তন্মধ্যে বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য হচ্ছেন মর্লি ক্যাল্লাগান। তিনিও একই পত্রিকায় শিক্ষানবিশ সংবাদদাতা হিসেবে যোগদান করেছিলেন। তাদের নিজস্ব সৃষ্টি সমূহের বিষয়ে যেমন ছিল গঠনমূলক সমালোচনা তেমনি পারস্পরিক শ্রদ্ধাও। যাই হোক কানাডায় তিনি বেশি দিন ছিলেন না। কিছু দিন কাটানোর পর আবার মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ফিরে আসেন।

১৯২১ সালে হেমিংওয়ে হ্যাডলি রিচার্ডসনের সঙ্গে বিয়ে বন্ধনে আবদ্ধ হন। তাদের প্রথম সন্তান জন ১৯২৩ সালে জন্মগ্রহণ করে। আর এই সময় হেমিংওয়ের প্রথম গ্রন্থ ‘থ্রি স্টোরি এন্ড টেন পোয়েম’ প্যারিস থেকে প্রকাশিত হয়। কিন্তু তখন হেমিংওয়ের একই রকম জীবন এবং টরেন্টো স্টারের চাকরি একঘেঁয়ে চরম বিরক্তির পর্যায়ে উদ্রেক করে। এই অবস্থা থেকে মুক্তি পাওয়ার জন্য এক পর্যায়ে ১৯২৪ সালের ১জানুয়ারি তিনি টরেন্টো স্টারের চাকরি ছেড়ে দেন।

অস্থির হেমিংওয়ে নিরানন্দময় জীবন থেকে মুক্তি পাওয়ার জন্য দেশ ত্যাগ করে প্যারিসে থাকার সিদ্ধান্ত নেন। এখান থেকেই ১৯২৪ সালে তার রচিত ‘ইন আওয়ার টাইম’ এবং ১৯২৬ সালে ‘দ্যা টরেন্টস অব স্প্রীং’ প্রকাশিত হয়। এরপরই ১৯২৬ সালে তার বিখ্যাত উপন্যাস ‘দ্যা সান অলসো রাইজেজ’ প্রকাশিত হয়। এই উপন্যাসের মাধ্যমে তিনি সর্বপ্রথম বিশ্ব সাহিত্য মহলে আলোচনার পর্যায়ে চলে আসেন।

১৯২৭ সালে আরেকটি বিখ্যাত উপন্যাস ‘ম্যান উইদআউট উইমেন’ প্রকাশিত হয়। কিন্তু প্যারিসে এই কয়েক বছর অবস্থান করেই তার সেই নিরানন্দময় জীবনের অধ্যায় পুনরায় শুরু হয়। তন্মধ্যে স্ত্রী হ্যাডলি রিচার্ডসনের সঙ্গেও মানসিকভাবে এডজাস্ট করা তার পক্ষে আর সম্ভব হয়ে উঠছিল না। ফলে ১৯২৭ সালে হ্যাডলির সাথে ডিভোর্সের মাধ্যমে হেমিংওয়ে আলাদা হয়ে যান। বিষন্ন হেমিংওয়ে যুক্তরাষ্ট্রে আবার ফিরে আসেন। এবার বসবাস শুরু করেন ফ্লোরিডার কি ওয়েস্টে। শান্তি এবং স্থিরতার অন্বেষণে একই বছর তিনি ফ্যাশন এডিটর পাওলিন পিফিফারের সাথে বিয়ে বন্ধনে আবদ্ধ হন।

এখানে বসবাসের সময় তিনি ১৯২৯ সালে বিখ্যাত উপন্যাস ‘এ ফেয়ারওয়েল টু আর্মস’ রচনা করেন। উল্লেখ্য, বইটি রচনার আগে প্যারিসে থাকা অবস্থায় প্রথম দফায় পাণ্ডুলিপি চুরি হয়ে যায়- যা হেমিংওয়ের জীবনের জন্য এক কষ্টকর অধ্যায় ছিল। যাই হোক, পুনরায় পাণ্ডুলিপি তৈরি করার মাধ্যমে উপন্যাসটি অনেক বেশি সমৃদ্ধ হয়েছিল। ‘এ ফেয়ারওয়েল টু আর্মস’ এর পটভূমি ছিল প্রথম বিশ্বযুদ্ধের ইটালিয়ান ফ্রন্ট। এক প্রেমিক যুগল যুদ্ধের ভয়াল থাবা থেকে নিজেদের প্রেমকে রক্ষা করার জন্য যে সংগ্রাম করেন তা এখানে বর্ণনা করা হয়। বইটি বিশ্বব্যাপী বাণিজ্যিকভাবেও সফল হয়েছিল।

১৯৩০’র দশককে হেমিংওয়ের সাহিত্যের উন্মেষকাল হিসেবে চিহ্নিত করা হয়ে থাকে। এ সময় তিনি ‘ডেথ ইন দ্যা আফটারনুন’ (১৯৩২), ‘দ্যা গ্রিন হল অব আফ্রিকা’ (১৯৩৫), ‘টু হ্যাভ অর হ্যাভ নট’ (১৯৩৭) প্রভৃতি উপন্যাস প্রকাশিত হয়।

দ্বিতীয় স্ত্রী পাওলিনের সাথেও হেমিংওয়ে বেশিদিন দাম্পত্য সম্পর্ক বজায় রাখতে পারে নি। ১৯৩৭ সালে সংঘঠিত স্প্যানিশ গৃহযুদ্ধ প্রত্যক্ষ করার জন্য তিনি স্পেনে অবস্থান করছিলেন। এ সময় মাদ্রিদে লেখক এবং সাংবাদিক মার্থা গ্যালহর্নের সাথে পরিচয় হয় এবং হেমিংওয়ে মার্থার প্রেমে পড়ে যান। তাদের প্রেম ১৯৪০ সালে পরিণয়ে রূপ লাভ করে। প্রথম বছর বিবাহিত জীবন সুখী হলেও পরবর্তী বছর আবার শুরু হয় দাম্পত্যের টানাপড়েন। হেমিংওয়ে আবিষ্কার করেন মার্থা স্ত্রী হিসেবে নয়, প্রতিষ্ঠিত হতে চায় একজন বিখ্যাত সাংবাদিক হিসেবে। ১৯৪০ সালে হেমিংওয়ের আরেক বিখ্যাত উপন্যাস ‘টু হোম দ্যা বেলস টুল’ প্রকাশিত হয়। বইটি তিনি মার্থাকে উৎসর্গ করেন।

১৯৪৬ সালে হেমিংওয়ে কিউবায় আসেন এবং ঐ বছর মার্থার সাথে সম্পর্কোচ্ছেদ হয়। ঐ সময় তিনি পুনরায় টাইম ম্যাগাজিনের সাংবাদিক মেরি ওয়ালসকে বিয়ে করেন। ১৯৫২ সালে তার বিখ্যাত উপন্যাস ‘দ্যা ওল্ড ম্যান এন্ড দ্যা সি’ প্রকাশিত হয়। বইটি প্রথমে লাইফ ম্যাগাজিনে মুদ্রিত হয়। প্রকাশের পর বইটি সারা পৃথিবীজুড়ে সারা ফেলে। এই উপন্যাসে তিনি অপরাজেয় মানুষের সংগ্রামী চরিত্র রচনা করেন। মূলত সাগরে জনৈক জেলের শিকার করা মাছকে হাঙ্গরের কবল থেকে রক্ষা করার জন্য সংগ্রামের প্রতিচ্ছবি বইয়ে হেমিংওয়ে অঙ্কন করেন। উপন্যাসটি নোবেল কমিটি মনোনীত হয়ে তিনি ১৯৫৪ সালে নোবেল বিজয়ী হন।

হেমিংওয়ে সারা পৃথিবীজুড়ে অসম্ভব পরিচিত একজন সাহিত্যিক। আধুনিক সময়ে খুব কম সাহিত্যিকই তার মত পরিচিতি অর্জন করেছে। কিন্তু খ্যাতি তাকে খুব একটা স্পর্শ কখনোই করেনি। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মত সাম্রাজ্যবাদী ভোগবাদী রাষ্ট্রে বসবাস করার পরও তৎকালীন নোংরা হাওয়া তাকে স্পর্শ করতে পারেনি। ব্যক্তিগতভাবে এবং অনেকটা সোচ্চার কণ্ঠস্বরের মাধ্যমে শোষণহীন সমাজতান্ত্রিক সমাজ ব্যবস্থাকে তিনি সমর্থন করে গেছেন। যা তার শেষ জীবনে বিভিন্ন প্রতিক্রিয়ার মধ্যে স্পষ্ট হয়। প্রচলিত সমাজের অর্থনৈতিক ব্যবস্থা এবং সাংস্কৃতিক আচরণ যখন তার কাছে অসহনীয় হয়ে তখন তিনি তা থেকে মুক্তি পাওযার জন্য ১৯৬০ সালে কিউবায় চলে যান।

কারণ, কিউবা তখন বাতিস্তা সরকার ও পুঁজিবাদের বিরুদ্ধে লড়ায়ের মাধ্যমে জাতীয় বিপ্লব সম্পন্ন করে স্বাধীন জাতীয় অর্থনীতি গড়ে তোলার লক্ষ নিয়ে দ্রুত বেগে সামনে অগ্রসর হচ্ছে। ফিদেল এবং বিপ্লবীদের স্পর্শে নিজেকে আরো শুদ্ধ করার চেষ্টায় রত থাকার উদ্দেশ্য নিয়ে হেমিংওয়ের কিউবায় আগমন। কিন্তু বারবার আমেরিকা থেকে কিউবা গমন মার্কিন সরকার তা কোনভাবেই সহ্য করেনি। এমনিতে এর আগে ফেয়ার ওয়েল টু আর্মস লিখে যুদ্ধ এবং সাম্রাজ্যবাদের বিরুদ্ধে অবস্থান নেয়াটা মার্কিন সরকার পছন্দ করেনি। তাকে সমাজতন্ত্রের বা রাশিয়ার চর হিসেবেও মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থা এফবিআই প্রচার করে। তার উপর চলে মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থার কড়া নজরদারি।

বিদ্যমান পরিস্থিতির অসমাঞ্জস্যতার কারণে শেষ বয়সে তিনি ডিপ্রেসনে ভোগেন। চিকিৎসাও নিয়েছেন। কিন্তু শেষ পর্যন্ত কিছুই হয়নি। চুড়ান্তভাবে সমাজই যদি ডিপ্রেসনে পতিত হয়, তাহলে তা থেকে সমাজের একজন কিভাবে তা অতিক্রম করবে?

জীবনের দুরন্ত সময়ে প্রথম বিশ্বযুদ্ধের রণাঙ্গনে সাহসী ভূমিকা পালন করেছিলেন। লড়াইয়ে ক্ষেত্র থেকে কখনোই পিছু হঠেননি। জীবনের অবসানও হয়েছে লড়াই এবং সাহসিকতার মাধ্যমে। ১৯৬১ সালের ২ জুলাই মাথায় গুলিবিদ্ধ করে তিনি আত্মহত্যা করেন। অনেকের নিকট আত্মহত্যা কাপুরুষিত। না, আত্মহত্যা কখনোই কাপুরুষতার লক্ষণ হতে পারে না। কারণ, আত্মহত্যা করতে অমিত শক্তি এবং সাহসের অধিকারী হতে হয়। কারণ কাজটা পৃথিবীর যে কোন ব্যক্তির জন্য সবচেয়ে কঠিন। তাছাড়া ব্যর্থ হেমিংওয়ে নয়, ব্যর্থ এই পৃথিবী। কারণ হেমিংওদের মত মানুষকে ধারণ করার ক্ষমতা এই জগত এখনো অর্জন করতে পারেনি।

জীবদ্দশায় সাতটি উপন্যাস, ছয়টি ছোটগল্প সঙ্কলন ও দুইটি নন-ফিকশন বই প্রকাশ করেন। মৃত্যুর পরে আরও তিনটি উপন্যাস, চারটি ছোটগল্প সঙ্কলন ও তিনটি নন-ফিকশন বই প্রকাশিত হয়। তার উল্লেখযোগ্য লেখার মধ্যে রয়েছে- উপন্যাস : দ্য টরেন্টস অব স্পিং (১৯২৪), দ্য সান আলসো রাইজেস (১৯২৬), আ ফেয়াওয়েল টু আর্মস (১৯২৯), ফর ‍হুম দ্য বেল টলস (১৯৪০), দ্য ওল্ড ম্যান অ্যান্ড দ্য সি (১৯৫২), দ্য গার্ডেন অব ইডেন (১৯৮৬) এবং আন্ডার কিলিমানজারো (২০০৫)। অন্যান্য : ডেথ ইন দ্য আফটারনুন (১৯৩২), হেমিংওয়ে, দ্য ওয়াইল্ড ইয়ার্স (১৯৬২), আর্নেস্ট হেমিংওয়ে সিলেক্টেড লেটার্স ১৯১৭-৬১ (১৯৮১) এবং ডেটলাইন : টরেন্টো (১৯৮৫)। ছোট গল্প সঙ্কলন : থ্রি স্টোরিজ অ্যান্ড টেন পয়েমস (১৯২৩), ইন আওয়ার টাইম (১৯২৫), উইনার টেক নাথিং (১৯৩৩) এবং দ্য ফিফথ কলাম অ্যান্ড দ্য ফার্স্ট ফোর্টি-নাইন স্টোরিজ (১৯৩৮)।

ফেসবুকে সংস্কৃতি ডটকমের পেইজে লাইক দিন এখানে ক্লিক করে।

আরও পড়ুন : হেনরি রাইডার হ্যাগার্ড : ‘লস্ট ওয়ার্ল্ড’ সাহিত্যের প্রতিষ্ঠাতা

Facebook Comments
পার্থিব রাশেদ

পার্থিব রাশেদ

সম্পাদক ও প্রকাশক, সংস্কৃতি ডটকম। পার্থিব রাশেদের জন্ম ১৯৮৭ সালের ১ সেপ্টেম্বর সিরাজগঞ্জে। বর্তমানে তিনি বিজ্ঞাপনচিত্র ও চলচ্চিত্র নির্মাতা হিসেবে কাজ করছেন। তার প্রকাশিত বই - তিতাস একটি নদীর নাম : চিত্রনাট্য, তিতাস একটি নদীর নাম : চিত্রনাট্য ও অন্যান্য প্রসঙ্গ ( সহ সম্পাদনা)।