ওয়েব সিরিজ বিতর্ক : বৈশ্বিক ডিজিটাল বিনোদন শিল্প ও আমাদের ভাবনা

share on:
ওয়েব সিরিজ বিতর্ক

ওয়েব সিরিজ বিতর্ক -বেশ জমে উঠেছে। ওয়েবে অশ্লীল কনটেন্ট নির্মাণ ও প্রচারের বিতর্কে পুরো ইন্ডাস্ট্রিই এখন দুই ভাগে বিভক্ত। দেশীয় স্ট্রিমিং অ্যাপ ‘বিঞ্জ’ সম্প্রচারে আসার পরপরই এ বিতর্ক শুরু হয়। বিঞ্জে প্রচারিত তিনটি ওয়েব সিরিজের বিরুদ্ধে উঠেছে অশ্লীলতার অভিযোগ। এই ওয়েব সিরিজ তিনটি হচ্ছে, শিহাব শাহীন পরিচালিত ‘আগস্ট ১৪’, সুমন আনোয়ার পরিচালিত ‘সদরঘাটের টাইগার’ ও ওয়াহিদ তারেক পরিচালিত ‘বুমেরাং’।

এসব বিতর্কের মাঝেই ওয়েব সিরিজ সম্পর্কে নিজেদের বিবৃতি প্রকাশ করলেন দেশের ১১৮ নির্মাতা। ‘বৈশ্বিক ডিজিটাল বিনোদন শিল্প ও আমাদের ভাবনা’ শিরোনামের বিবৃতিটি  হুবহু তুলে ধরা হলো।

‘‘গত কিছুদিন যাবৎ চলমান ওয়েব সিরিজ বিতর্ক আমরা গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করে আসছি। শঙ্কার সাথে দেখছি যে ক্রমেই হয়ত বা নিজেদের একটি বৈশ্বিক ডিজিটাল ভবিষ্যৎ থেকে আমরা বিচ্যুত করে ফেলছি, যা বিনোদন খাতের ভবিষ্যৎকে একটি বিপর্যয়ের মুখে ঠেলে দিতে পারে।

আমরা জানি, বিশ্বব্যাপী বাংলাদেশ একটি ডিজিটাল বিপ্লবের নাম। ওয়েব ও মোবাইলের সহজলভ্যতার কারণে পুরো পৃথিবীর মানুষই এখন সিনেমা ও ওয়েব কনটেন্ট এর ভোক্তা। টিভি, সিনেমা বা ওয়েব কনটেন্ট সবই আসলে বিপণন ব্যবস্থার একটি মাধ্যম মাত্র। এই প্রতিটি প্ল্যাটফর্মের বৈশিষ্ট্য ভিন্ন ভিন্ন। সেই সঙ্গে কনটেন্ট এর বিষয়বস্তু, নির্মাণের ঢং ও পরিবেশনার ধরন সবই অনন্য। তাই একই দর্শক টিভিতে যা দেখতে পায়, ওয়েবেও সে একই কনটেন্ট দেখতে চায় না। ওয়েবের প্রতিটি দর্শকই ইউনিক। তাদের পছন্দ অনুযায়ী আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স ব্যবহার করে প্ল্যাটফর্মগুলো একজন দর্শকের ব্যক্তিগত পছন্দ অনুযায়ী কনটেন্ট তৈরি ও বিপণন করে থাকে।

আমরা দাঁড়িয়ে এমন এক সময় যখন পুরো পৃথিবীটা মানুষের হাতের মুঠোয়। মোবাইল ফোনের এক ক্লিকেই বিশ্বজুড়ে চলতি পথে, বাসে, ট্রেনে, কাজে যাওয়ার সময়, লোকেদের চোখ আটকে থাকে ইন্টারনেটের অবাধ দুনিয়ায়। দর্শকেরা যার যার নিজস্ব পছন্দ অনুযায়ী অনুষ্ঠান বেছে নেয়। বিশ্বব্যাপী এই অবাধ কনটেন্টের দুনিয়া এক বিশাল অর্থনীতি গড়ে তুলেছে। যার সঙ্গে যুক্ত আছে হাজার মানুষের জীবন এবং জীবিকা। শুধুমাত্র আমাদের প্রতিবেশী ভারতেই এই খাত গত চার বছরে ৯,০০০ কোটি রুপি থেকে ২০,০০০ কোটি রুপিতে উত্তীর্ণ হয়েছে এবং এটার প্রধান চালিকা শক্তি এই ওয়েব প্ল্যাটফর্ম। এই বিশাল বাজার ভারতে এনেছে আরও হাজার কোটি রুপির বৈদেশিক বিনিয়োগ এবং এই একই বিনিয়োগ বাংলাদেশেও সম্ভব, শুধু যুগোপযোগী নীতিমালা প্রয়োজন।

নেটফ্লিক্স, অ্যামাজন, জি ফাইভ, হটস্টার, উলু, হইচইসহ এমন হাজারো রকমের ওটিটি প্ল্যাটফর্মগুলোই ভারতের এই বিনোদন অর্থনীতির মূল চালিকাশক্তি। মূলত সাবস্ক্রিপশন ভিত্তিক এই হাজারো প্ল্যাটফর্মের কারণে সিনেমার পরিচিত বিপণন ব্যবস্থাও খানিকটা বদলে গেছে। এখন সরাসরি ওয়েব প্ল্যাটফর্মে সিনেমা মুক্তি দেয়া অন্যতম বিপণন কৌশল বলে বিবেচিত হচ্ছে। মূলত হাতের মুঠোয় থাকা ফোনকে সিনেমার পর্দায় রূপান্তর করাটাই এই বিপ্লবের মূল অস্ত্র। যখন আমরা মুঠোফোনকে খাদ্য (অনলাইন রেস্টুরেন্ট), গণযোগাযোগ (উবার, পাঠাও), লেনদেন (বিকাশ, নগদ), চিকিৎসা (টেলি মেডিসিন সেবা), তথ্যসহ (গুগল) সকল কাজে ব্যবহার করে থাকি তখন বিনোদনও যে এটার অন্তর্ভুক্ত হবে তা বলাই বাহুল্য।

এখন প্রশ্ন আসে কনটেন্টের মাপকাঠির। কোনটা তাহলে কার জন্য প্রযোজ্য? আমরা ঠিক যেভাবে সিনেমা হলে ঢোকার পূর্বে চাইলে বয়স নিশ্চিত করে তারপর তা দেখবার জন্য ব্যবস্থা নিতে পারি, তেমনি অধিকাংশ ওয়েব কনটেন্টই কিন্তু তৈরি হচ্ছে পেইড কনটেন্ট হিসাবে। একজন ভোক্তার সম্মতিতেই শুধুমাত্র তা দেখা সম্ভব। আমাদের এখানে সাম্প্রতিক সময়ে ওয়েব সিরিজ নিয়ে ঘটা চলমান আলোচনার মূল কারণ আসলে পাইরেসি। এই ওয়েব সিরিজগুলো দর্শকের নিজেদের সম্মতিতে সাবস্ক্রিপশন করে দেখবার কথা। আমরা জানতে পারি, ‘পাইরেসি’ হয়ে কনটেন্টগুলো ইউটিউবসহ অন্যান্য কিছু সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। পুরো সিরিজটি পাইরেসি না হয়ে এর বিশেষ দৃশ্য সংবলিত অংশবিশেষ আসায় এগুলো ভুলভাবে ব্যাখ্যা ও এর ফলে এর সঙ্গে জড়িত শিল্পী, কলাকুশলী ও নির্মাতাদের ব্যাপারে এক ধরনের অপব্যাখ্যার সুযোগ তৈরি হয়েছে।

সিনেমায় বয়সভিত্তিক দর্শক নির্বাচন করে, ওয়েবে কিছু কনটেন্ট মুক্ত প্ল্যাটফর্মে, আর কিছু কনটেন্ট পেইড প্ল্যাটফর্মে রাখার মধ্য দিয়ে মূলত কোনটা কোন দর্শকের জন্য তা যাচাই-বাছাই করা খুব কঠিন কোন কাজ না। দর্শক এবং তাদের বয়স ভিন্নতার চাহিদা বিবেচনা না করে যদি ওয়েব কনটেন্টের কাহিনি বিন্যাসও একই রকম হয় নিশ্চিতভাবেই আমরা দর্শক হারাতে বাধ্য। বৈচিত্র্যহীনতার সংকটে ইতিমধ্যেই টেলিভিশন ও সিনেমার বাজার সংকোচনের উদাহরণ আমাদের চোখের সামনে বিদ্যমান।

মধ্যম আয়ের বাংলাদেশি দর্শক এখন তাই ওয়েব কনটেন্ট বলতে নেটফ্লিক্স, আমাজন প্রাইম বা অন্যান্য দেশের কনটেন্টকেই বোঝে। টাকা দিয়ে সাবস্ক্রাইব করা লোকের সংখ্যাও কিন্তু কম নয়। বিটিআরসি এবং পি আই স্ট্র্যাটেজির গত বছরের এক সমীক্ষা মতে বাংলাদেশে শুধু নেটফ্লিক্সের গ্রাহকসংখ্যা প্রায় ২,০০,০০০ (দুই লাখ) এর ওপরে। যার ফলে বাংলাদেশে একটি কনটেন্টেও বিনিয়োগ না করে বার্ষিক প্রায় ২০০ কোটি টাকার বাজার তৈরি করেছে নেটফ্লিক্স। যার একটি পয়সাও এখনো বাংলাদেশের বিনোদন খাতে বিনিয়োগ হয়নি। ইউরোপে যেখানে নিয়ম করে নেটফ্লিক্সকে লোকাল কনটেন্ট-এ বিনিয়োগ করতে বাধ্য করা হচ্ছে সেখানে আমাদের দেশে এই বিষয়ে কোনো পদক্ষেপ ও যুগোপযোগী নীতিমালা না থাকায় আমরা ক্রমাগত আমাদের নিজেদের কনটেন্টের বাজার হারাচ্ছি। আর নেটফ্লিক্স ছাড়া অন্যসব প্ল্যাটফর্মে মোট বাংলাদেশি সাবস্ক্রাইবার ও তার দ্বারা ব্যয়িত অর্থের হিসেব যদি আমরা করি টাকার অঙ্কটা প্রায় হাজার কোটিতে গিয়ে ঠেকবে বলে আমাদের ধারণা। একটি আধুনিক নীতিমালা করে এই বাইরে চলে যাওয়া টাকার কিছু অংশ আমাদের ইন্ডাস্ট্রিতে কনটেন্ট নির্মাণে পুনঃবিনিয়োগ না হলে বাংলাদেশের নিজস্ব কনটেন্ট যেমন বৈশ্বিক হবে না, তেমনি এই শিল্পখাতটি আর মাথা তুলে দাঁড়াতে পারবে না। আর এই বাজারটার পুরোটা যদি বিদেশি কনটেন্ট ও বিদেশিদের দ্বারা নিয়ন্ত্রিত প্ল্যাটফর্মে পরিচালিত হয় তাতে করে ভবিষ্যতে দেশীয় সংস্কৃতি আরও গভীর সংকটে পড়বে বলে আমাদের বিশ্বাস।

গত ১ যুগ ধরে পৃথিবীব্যাপী ইন্টারনেট একটি স্বাধীন ও মুক্তমত প্রকাশের আধুনিক মাধ্যম হিসেবে বিবেচিত হয়ে আসছে। কনটেন্ট বাছাই করে নেবার সুযোগ একজন দর্শক হিসেবে তার অধিকার। পৃথিবীর প্রায় সব দেশেই বড় পর্দার সিনেমাগুলো তাই সকল সেন্সরের গ্যাঁড়াকল মুক্ত। আমরা বিশ্বাস করি, আমাদের অসংখ্য মেধাবী নির্মাতাদের স্বাধীনভাবে গল্প বলার মতো পরিবেশ ও নির্মাণে বৈচিত্র্যের পথ বন্ধ না করলে দেশীয় সিনেমা ও ওয়েব কনটেন্টের বাজারে বাংলাদেশের অংশীদারি দিন দিন বাড়বে। সরকার চাইলে কোনটা কোন বয়সী দর্শকের জন্য উপযোগী তা নিয়ে একটি যুগোপযোগী গ্রেডিং পদ্ধতি চালু করা যেতে পারে।

চলমান ওয়েব সিরিজ বিতর্কের আলোকে এখন প্রশ্ন আসতে পারে, খোলামেলা দৃশ্য বা গালাগালি বা ভায়োলেন্স- এমন দৃশ্য না দেখালেই কি বাজার হাতছাড়া হয়ে যাবে, বা দেখালেই কি থাকবে? আমরা মোটেও তা বিশ্বাস করিনা। বিশ্বের অনেক দেশেই ওয়েব কনটেন্টের শুরুর সময় এই রকম বিতর্ক ও সামাজিক প্রতিক্রিয়া দেখা গিয়েছে। তার আলোকে আমরা বলতে পারি, দর্শক ও বিনোদনের সব মাধ্যমের অংশীজনেরা আস্তে আস্তে তাদের দেশের উপযোগী একটি আধুনিক নীতিমালা করার কারণে পৃথিবীব্যাপী ওয়েব সিরিজ নামক এই নতুন বিনোদন মাধ্যম ব্যাপক জনপ্রিয়তা পেয়েছে। সেই সঙ্গে তাদের দেশীয় কনটেন্টের বাজারও প্রসারিত হয়েছে।

আমরাও মনে করি দেশীয় ঐতিহ্য ও মূল্যবোধ নিয়েই আমাদের কনটেন্ট নির্মাণ করতে হবে। কিন্তু যেই কনটেন্টটি যেই প্ল্যাটফর্মের জন্য নির্মিত সেটি সেই দর্শক শ্রেণির কাছে পরিবেশিত না হয়ে পাইরেসির কারণে কেবল ‘বিশেষ কোন অংশ’ দেখিয়ে কোন গোষ্ঠী প্রকৃত কনটেন্টের মূল আলোচনা থেকে ফোকাস সরিয়ে বিষয়টিকে অন্যদিকে প্রবাহিত করার অপচেষ্টা করলে এই মাধ্যমটি শুরুতেই মুখ থুবড়ে পড়বে।

বাংলাদেশের দর্শকেরা যেহেতু পৃথিবীর প্রায় সব দেশের বিখ্যাত সব সিরিজ দেখছে, কাজেই দেশীয় কনটেন্ট বলে এর বৈচিত্র্য ও বিষয়বস্তুতে আগেই এটা কি রকম হওয়া উচিত এ নিয়ে এত তাড়াতাড়ি সিদ্ধান্তে পৌঁছে যাওয়া উচিত হবে না। আমাদের আরও মনে রাখা দরকার, পাইরেসি বা টরন্টো পথে কনটেন্ট দেখাও কিন্তু মূলত একটি অপরাধ। এই অপরাধ দমনে বিশ্বের প্রায় সব দেশেরই কনটেন্ট নির্মাতা ও বিপণনকারী প্রতিষ্ঠান এর বিরুদ্ধে সোচ্চার। আমাদের দর্শকেরও এই প্রবণতা বন্ধ না হলে, বাংলাদেশের বাজারে লগ্নীকারকেরা ঝুঁকি বিবেচনায় বিনিয়োগে আগ্রহী হবে না।

সারা বিশ্বে যত মানুষ বাংলায় কথা বলে তাদের সংখ্যা প্রায় ২৬০ মিলিয়ন। কাজেই বাংলা ভাষাভাষী দর্শকের এই বিশাল বাজার ধরবার জন্য আমাদের একটি উদার ও স্বাধীন নির্মাণের নীতিমালা গ্রহণ করতে হবে। আমরা ইতিমধ্যেই জানি, ভারতের পশ্চিম বাংলার বেশ কিছু প্ল্যাটফর্ম বাংলাদেশে শুধু ভাষাগত সুবিধার কারণে ব্যবসা করে যাচ্ছে। সিনেমা বা ওয়েব সিরিজে স্বাধীনভাবে নিজের নির্মাণের পথ তৈরি করে  এই বিশাল বাজারে আমাদের নিজেদের অংশীদারি বাড়ানো না হলে এই বাংলা ভাষাভাষীদের বাজার আর আমাদের নিয়ন্ত্রণে থাকবে না। আমাদের মেধাবী নির্মাতাদের সমন্বিত কাজের মাধ্যমে সিনেমা ও ওয়েব কনটেন্ট বিশ্বের সব শ্রেণির দর্শকদের বিনোদিত করবে এই স্বপ্ন আমরা দেখি।

আমাদের দেশে ওয়েব প্ল্যাটফর্মে পথচলাটা যেহেতু খুব নতুন সেখানে প্রথমেই কোন বিচ্যুতি বা ভুলভাবে ব্যাখ্যা হওয়ার কারণে যদি শুরুতেই এর চলার পথটা থমকে যায়, অথবা এর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কলাকুশলীরা সাইবার বুলিং-এর শিকার হয় বা বৈচিত্র্যময় কনটেন্ট নির্মাণের পথ বন্ধ হয়ে যায়, তাহলে তা বাংলাদেশের বিনোদন শিল্পের জন্য একটি বিরাট অন্তরায় হিসেবে দেখা দেবে। শিল্প মাধ্যমের, গণমাধ্যমের বা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের এই বৈশ্বিক সময়ে অন্য সকলের মতো সিনেমা, টিভি বা ওয়েব সিরিজ যাই হোক না কেন তার জন্য একটি স্বাধীন মতামত প্রকাশের সুযোগ বাস্তবায়ন ও সেই সঙ্গে পাইরেসি প্রতিরোধ করে নির্দিষ্ট প্ল্যাটফর্মের কনটেন্ট নির্দিষ্ট প্ল্যাটফর্মে পরিবেশনার ব্যাপারে একটি আধুনিক নীতিমালা করতে সরকার আইনানুযায়ী ব্যবস্থা নেবেন এবং এই বৈশ্বিক ডিজিটাল অর্থনৈতিক বিপ্লবে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ সুনিশ্চিত করার সুযোগ তৈরি করবেন বলেই আমরা বিশ্বাস করি।’

বিবৃতি প্রদানকারী নির্মাতাগণ হলেন: মোরশেদুল ইসলাম, শামীম আখতার,  গিয়াস উদ্দীন সেলিম, নূরুল আলম আতিক, পিপলু আর খান, অমিতাভ রেজা চৌধুরী, আকরাম খান, দীপংকর দীপন, অনিমেষ আইচ, গোলাম সোহরাব দোদুল, বদরুল আনাম সৌদ, কৌশিক শঙ্কর দাশ, নাজনীন হাসান চুমকি, সামির আহমেদ, মেজবাউর রহমান সুমন, মাতিয়া বানু শুকু, রেদওয়ান রনি, নাফিজ রেজা, হাসান তৌফিক অঙ্কুর , ইশতিয়াক আহমেদ রুমেল, আশুতোষ সুজন, আশফাক নিপুণ, মুহাম্মদ মোস্তফা কামাল রাজ, নঈম ইমতিয়াজ নেয়ামুল, শাহনেওয়াজ কাকলী , শাফায়েত মনসুর রানা, আবু শাহেদ ইমন, খিজির হায়াৎ খান, ধ্রুব হাসান, কিসলু গোলাম হায়দার, আদনান আল রাজিব, আরিফুর রহমান, বিজন ইমতিয়াজ, অনম বিশ্বাস, তানিম রহমান অংশু, শঙ্খ দাশগুপ্ত, আফজাল হোসেন মুন্না, কৃষ্ণেন্দু চট্টোপাধ্যায়, ওয়াহিদ আনাম, রাসেল সিকদার , পিকলু চৌধুরী, মাবরুর রশীদ বান্নাহ, গোলাম মুক্তাদির শান, মাহমুদ দিদার, ইমরাউল রাফাত, হাসান মোরশেদ, আর বি প্রীতম , ইমেল হক, জয়ন্ত রোজারিও , পল্লব বিশ্বাস , সেতু আরিফ, তানিম পারভেজ, মাসুম শাহরীয়ার, সেঁজুতি টুসি, আবু হায়াৎ মাহমুদ, সহিদ উন নবী , সাজ্জাদ সনি, তুহিন হোসেন, আবু রায়হান জুয়েল, আতিক জামান, রাইসুল তমাল , মো: আশিকুর রহমান, নিয়ামুল মুক্তা, শেখ নাজমুল হুদা ইমন, মিজানুর রহমান আরিয়ান, আসাদ জামান, কাজল আরেফিন অমি, ওয়াসিম সিতার, খায়রুল পাপন, সিমিত রায় অন্তর, হাবীব শাকিল, তপু খান, ফয়সাল রাজীব, সাজিন আহমেদ বাবু, শাহরিয়ার পলক, ভিকি জায়েদ, বিশ্বজিৎ দত্ত, প্রীতি দত্ত, রুবেল হাসান, রাফাত মজুমদার রিঙ্কু, মাহমুদুর রহমান হিমি, রুবায়েত মাহমুদ, মাহমুদুল হাসান আদনান, তৌহিদ আশরাফ, সৌরভ কুন্ডু , সাকী ফারজানা, আবরার আতহার, সেরনিয়াবাত শাওন, আলিফ আহমেদ, ইফতেখার আহমেদ ওশিন, ফয়েজ জুবায়ের, রিয়াদ তালুকদার, অভ্র মাহমুদ, নাজমুল নবীন, আনিসুর রহমান রাজিব, মনিরুজ্জামান জুলহাস, ইমরান আহমেদ ইমন, রাইসুল ইসলাম অনীক, মেহেদী শাওন, মহিদুল মুহিম, মুহাম্মদ মিফতাহ্ আনান, হাসিব খান, তানভীর খায়ের সানি, জয়নুল আবেদীন শিশির, বিপ্লব ইউসুফ, তানভীর চৌধুরী, হাসান রেজাউল, নাজিম উদ্দীন মণ্ডল রাজু, আবু বক্কর রোকন, কে এম সোহাগ রানা, আলোক হাসান, মাহাদী শাওন, এন্ডি আদনান , নিয়াজ নাদভী, মাহমুদুল ইসলাম, মুহাম্মদ তাসনীমুল হাসান, আব্দুল্লাহ আল মুক্তাদির।

ফেসবুকে সংস্কৃতি ডটকমের পেইজে লাইক দিন এখানে ক্লিক করে।

আরও পড়ুন : ঋতুপর্ণ ঘোষের সাক্ষাৎকার

Facebook Comments